বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান জানান, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ আছে। দেশে এখন ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে, যেখানে ব্যবসা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিবেশ রয়েছে। এ ব্যাপারে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে কানাডার বাণিজ্যে সম্ভাবনার খাতগুলো চিহ্নিত করে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে হবে। তাদের সঙ্গে আলাপ–আলোচনা করতে হবে।

দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ়করণের লক্ষ্যে কাজ করতে হবে হাইকমিশনকে। কানাডায় হিমায়িত ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের চাহিদা রয়েছে। আর বাংলাদেশের এ দুটি খাতেই রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। কানাডা বাংলাদেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ নানা খাতে বিনিয়োগ করেছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ অংশীদারত্বে কাজ করতে ইতিমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
কানাডা বাংলাদেশের ভালো বন্ধুপ্রতিম দেশ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কানাডা ও বাংলাদেশ—এই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আছে। ১৯৭২ সালে এই দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক স্থাপিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কানাডা।

অনুষ্ঠানে অটোয়ার হাইকমিশনার খলিলুর রহমানসহ হাইকমিশনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন