রংপুরে এরশাদকে দাফনের দাবি

বিজ্ঞাপন
default-image

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদকে তাঁর প্রিয় শহর নিজ জেলা রংপুরে দাফন করার জন্য দলের নেতারা জোর দাবি জানিয়েছেন। আজ রোববার রংপুর শহরের সেন্ট্রাল রোডে অবস্থিত জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান জাতীয় পার্টির নীতিনির্ধারকসহ সরকারের প্রতি এই আহ্বান জানান।

জাতীয় পার্টির রংপুর বিভাগ, জেলা, মহানগরসহ সহযোগী অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

মৃত্যুসংবাদ প্রচার হওয়ার পর ভক্তরা যান এরশাদের বাড়ি ‘পল্লী নিবাসে’। সেই সঙ্গে তাঁর পৈতৃক বাড়ি ‘স্কাই ভিউতেও’ লোকজনের ভিড় দেখা যায়।

সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও মেয়র মোস্তাফিজার রহমান বলেন, এরশাদ ছিলের জাতীয় নেতা। তাঁকে জাতীয় নেতার মর্যাদা দিয়ে যেন দাফন সম্পন্ন করা হয়। এটা শুধু দলের দাবি নয়। এ দাবি রংপুরের মানুষের। এ দাবি রংপুর বিভাগীয় জাতীয় পার্টির।

রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে আগামী মঙ্গলবার বাদ জোহর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেওয়া হয়।

মোস্তাফিজার রহমান আরও বলেন, এরশাদকে এ অঞ্চলের মানুষ কত ভালোবাসত, তা দেশবাসীর অজানা নয়। রংপুরের মানুষের সুখে-দুঃখে তিনি সব সময় ছুটে আসতেন তাঁর প্রিয় জেলা রংপুরে। তাই তাঁর সমাধি তাঁরই নিজের গড়া বাড়ি পল্লী নিবাসে হওয়া প্রয়োজন। এখানে তাঁর দাফন হলে একসময় তাঁকে ঘিরে এখানে একটি কমপ্লেক্স হতে পারে। সেখানে লোকজন আসবে। তাঁকে ঘিরে দলে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তাঁর ইতিহাস জানবে। দোয়া করবে। কবর জিয়ারত করবে।

মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, ‘এরশাদের কবর ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে জাতীয় নেতাদের পাশে হলে আমাদের আপত্তি নেই। তবে শোনা যাচ্ছে, বনানী সেনাবাহিনী কবরস্থানে হতে পারে। সেখানে হলে খুব সহজে মানুষ প্রিয় নেতার কবর জিয়ারতরত করতে পারবেন না। তাই জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ সরকারের কাছে রংপুরবাসীর পক্ষ থেকে দাবি জানাই, আমাদের প্রিয় নেতার কবর রংপুরে করা হোক।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াছির, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বারী, রংপুর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, শ্রমিকনেতা তোফাজ্জল হোসেন তোফা, মহানগর শ্রমিক পার্টির সভাপতি রাজু আহমেদ, মহানগর জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত, জেলা জাতীয় ছাত্র সমাজের আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন