বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বারিধারায় এরশাদের বাড়িতে তাঁর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর দোয়া মাহফিলে এরিক এ ঘোষণা দেন। এ সময় পাশ থেকে পিঠ চাপড়ে এরিককে উৎসাহ দেন তাঁর মা বিদিশা সিদ্দিক।

এরিকের এই কমিটি ঘোষণা নিয়ে জাতীয় পার্টির ভেতরে-বাইরে নানা আলোচনা চলছে। কারণ এরিকের বয়স কম, গত ১১ মার্চ ছিল তাঁর ২০তম জন্মদিন। তার ওপর এরিক ‘বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন’। তাঁকে দিয়ে কমিটি ঘোষণার পেছনের উদ্দেশ্য নিয়েও দলে বিভিন্ন আলোচনা রয়েছে।

ওই দোয়া মাহফিলে রওশন এরশাদ ছিলেন না। তাঁর ছেলে সাদ এরশাদ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘পলিটিক্যাল কথা বলতে আসিনি। আজ আমার আব্বার মৃত্যুবার্ষিকী। সবাই আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতার জন্য দোয়া করবেন। আমার আম্মা বিরোধীদলীয় নেতা, ওনার জন্য দোয়া করবেন।’

এরিকের কমিটি ঘোষণার বিষয়ে রওশন এরশাদ ও সাদ এরশাদের বক্তব্য জানতে কয়েক দফা ফোনে চেষ্টা করা হয়। তাঁরা ফোন ধরেননি। সাদের ফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়ে সাড়া পাওয়া যায়নি।

পরে রাতে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, জি এম কাদেরের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সঠিকভাবেই চলছে বলে রওশন এরশাদ মনে করেন।

আর জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব রাহাগির আল মাহি সাদ এরশাদের বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তিনি দুপুরেই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে ফোন করে বলেছেন, বাবার মৃত্যুবার্ষিকীর দোয়ায় শরিক হতে সকালে প্রেসিডেন্ট পার্কে গিয়েছিলেন। এর বাইরে তিনি কোনো কিছুর সঙ্গে ‘সম্পৃক্ত নন’।

এর আগে বিকেলে জি এম কাদেরও এ বিষয়ে একই কথা বলেছিলেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘সাদ আমাকে ব্যক্তিগতভাবে বলেছে, তাকে মিলাদের কথা বলে সেখানে নিয়ে গেছে। সেখানে নিয়ে প্রতারণা করে ওই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সেটার সঙ্গে সে নেই।’

এদিকে এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার দুপুরে কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের। এ সময় জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন