বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘আমি উপলব্ধি করেছি, এই জাতিকে বাঁচানো দরকার। এ জন্য জাতীয় সরকারের প্রস্তাবনা দিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেছি।’ তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, জাতীয় সরকারের উদ্দেশ্য হবে নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা করা। রাজবন্দীদের মুক্তি দেওয়া। সব গায়েবি মামলা প্রত্যাহার করা। আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

গণফোরামের একাংশের সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনে আমরা কী দেখলাম, রাতের অন্ধকারে নির্বাচনটা হয়ে গেল। ২০১৪ সালেও একই রকম হয়েছে। জীবনভর কি আমরা এ রকম করতে থাকব। এভাবে তারা পার পেয়ে যাবে, এটা হতে পারে না।’

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, আন্তর্জাতিক শক্তির মধ্যে ভাগ তৈরি হয়েছে। তাদের নিজস্ব স্বার্থে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়ে গেছে। বাংলাদেশের ওপরে প্রভাব খাটাতে তাদের নানা তৎপরতা চলবে। বাংলাদেশের জনগণ যেন আন্তর্জাতিক শক্তির দ্বন্দ্বের বলি না হয়।

প্রস্তাবিত জাতীয় সরকারকে সমর্থন জানিয়ে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক বলেন, ‘এই সরকার ১২ বছরের শাসনামলে সব থেকে দুর্বল সময় পার করছে। প্রশাসনের অনেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অনুরোধ জানিয়েছেন, আপনারা কিছু করেন। আপনারা কিছু করলে আমরা নামব।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, অধ্যাপক আবদুল লতিফ, আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন