বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সংলাপের আমন্ত্রণ পেয়েও অংশ নেয়নি। এ ছাড়া বিএনপি আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এ সংলাপে অংশ নেবে না। বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে সংলাপে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি।

সংবাদ সম্মেলনে আ স ম রব বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠন নিরপেক্ষ অবাধ নির্বাচনের জন্য কোনো সমাধান নয়। বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতির সংলাপে জেএসডি অংশগ্রহণ করছে না। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক দল জেএসডির সভাপতি বলেন, নির্বাচন কমিশন নিয়ে নয়, সংলাপ হতে হবে নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘জাতীয় সরকার’ গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা এখন গুরুত্বপূর্ণ।

নির্বাচন প্রশ্নে রাষ্ট্রপতি, সরকার ও নির্বাচন কমিশন সংবিধান লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন আ স ম রব। সংবিধান লঙ্ঘনকারীদের জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। আ স ম রব বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত। কিন্তু এই কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মাধ্যমে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অপসারণ চেয়ে দেশের বিশিষ্ট ৪২ জন নাগরিক ২০১৯ সালে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেন।

কিন্তু রাষ্ট্রপতি কোনো পদক্ষেপ নেননি। তিনি সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থেকে নির্বাচন কমিশনকে দায়মুক্তি দিয়েছেন, যা সংবিধান লঙ্ঘন।

জেএসডির সভাপতি বলেন, র‌্যাব কর্মকর্তাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং জাতিসংঘের উত্থাপিত গুমসংক্রান্ত বিষয়টি জাতির উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন ও প্রতিকারের ব্যবস্থা না নিয়ে রাষ্ট্রকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেএসডির ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, তানিয়া রব, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনসহ প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন