বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ মঙ্গলবার এলডিপি মহাসচিব শাহাদাত হোসেন (সেলিম) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, চলমান সংলাপ দেশবাসীর কাছে আগের মতোই চাতুর্যপূর্ণ সংলাপ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এ কারণে সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা জনগণের কাছে বর্তমান সরকারের ভোটাধিকার হরণের ঘৃণিত কর্মকাণ্ডের দোসর হিসেবে গণ্য হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, কিছু নামকাওয়াস্তে রাজনৈতিক দল, যারা বিভিন্ন তদবিরের মাধ্যমে বঙ্গভবনে আপ্যায়নের লোভে তথাকথিত সংলাপে অংশ নিয়েছে। ওই সব সুবিধাভোগীরা জনগণের কাছে, ইতিহাসের কাছে মীর জাফরের মতো ঘৃণিত হয়েই থাকবে।

বিএনপি ইতিমধ্যে সংলাপকে ‘অর্থহীন’ উল্লেখ করে তাতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এলডিপির পক্ষ থেকে বিএনপির এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ২০১৪ ও ২০১৮ সালের সংলাপের অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাসদ, চরমোনাই পীরের ইসলামী শাসন আন্দোলন সংলাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তাদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছে এলডিপি।

বিবৃতিতে বলা হয়, এলডিপি বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল। বিএনপিসহ জোটের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল সরকারের তামাশার সংলাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেও জোটভুক্ত কিছু দল রাষ্ট্রপতির সংলাপে যাওয়ার আমন্ত্রণের অপেক্ষায় রয়েছে। অনেকে আমন্ত্রণের জন্য জোর তদবিরও চালাচ্ছে।

এসব দল ‘রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ফটোসেশনের’ আশায় তথাকথিত সংলাপে অংশ নিলে তাদের ২০ দলীয় জোট থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে এলডিপি।
দলটি বলেছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য শুধু শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করলেই চলবে না। এ জন্য জাতীয় ঐক্যমত ও নির্বাচনকালীন সরকার প্রয়োজন। সেই সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটাধিকারসহ জনগণের মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন