বিজ্ঞাপন

বিক্ষোভ সমাবেশে নেতারা বলেছেন, এ ঘটনা আরও প্রমাণ করেছে সরকার সত্য গোপন করতে চায়। শুধু তা–ই নয়, সরকার জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের চেয়ে দুর্নীতি লুকাতে তৎপর বেশি। তাঁরা আরও বলেন, তথ্য অধিকার আইনে¾তথ্য জানার অধিকার জনগণের আছে। জনগণকে তথ্য না জানানো চুরি, দুর্নীতি, জবাবদিহিহীনতাকেই উৎসাহিত করে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে দুর্নীতি–অনিয়মের তথ্য বের করে আনা কোনোমতেই চুরি নয়। এটা সাংবাদিকতার দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।

বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাম জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ। বাম নেতারা বলছেন, রোজিনা ইসলাম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বেশ কয়েকটি দুর্নীতি–অনিয়মের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেন। এ জন্য তাঁকে সচিবালয়ে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়, যা সভ্য দেশে অকল্পনীয়।

অবিলম্বে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে বাম নেতারা বলছেন, ১৯২৩ সালের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের অফিশিয়াল সিক্রেসি অ্যাক্টটি স্বাধীন দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ ধারায় যুক্ত করা হয়েছে। সেই কুখ্যাত আইনে রোজিনাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

রোজিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা, রোজিনাকে হেনস্তাকারী আমলা ও পুলিশের শাস্তি দেওয়া, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যসচিবকে অপসারণ করা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।

সমাবেশে বক্তব্য দেন সিপিবির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুল্লাহ আল কাফি, বাসদ মার্ক্সবাদী নেতা মানস নন্দী, ইউসিএলবি নেতা নজরুল ইসলাম, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সভাপতি হামিদুল হক, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির নেতা শহীদুল ইসলাম প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন বাসদ নগর নেতা জুলফিকার আলী।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন