বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ঈদের আগে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। অনেক চিন্তাভাবনা করেই এটি করা হয়েছে। যখন দুই সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হলো, তখন দেখলাম, বিএনপির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লকডাউন কেন দেওয়া হলো, সে জন্য প্রচণ্ড সমালোচনা করলেন। আবার যখন এক সপ্তাহের জন্য শিথিল করা হলো, তখন কেন শিথিল করা হলো, সেটির জন্য আবার সমালোচনা করলেন। আসলে উনারা চানটা কী, সেটিই হচ্ছে প্রশ্ন।’

আসলে তাঁরা চান, দেশে একটি বিশৃঙ্খলা তৈরি হোক, তাহলে পানি ঘোলা করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা যাবে, কিন্তু সেই সুযোগ বিএনপিকে ভবিষ্যতে জনগণ আর দেবে না, বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

করোনাকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের জন্য যে সহায়তার নজির স্থাপন করেছেন, তা দেখে অন্য দেশ কিছু কিছু পদক্ষেপ নিলেও এখনো ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা—কোথাও এমন দৃষ্টান্ত নেই, বলেন হাছান মাহমুদ।

আওয়ামী লীগ সরকার সব মত ও পথের মানুষেরই সরকার উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব সাংবাদিক প্রেসক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সমালোচনায় মুখর থাকেন, তাদের জন্যও এই ট্রাস্টের সহায়তা উন্মুক্ত, কারণ রাষ্ট্র সবার জন্য।

ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান, সচিব মকবুল হোসেন বক্তব্য দেন।

আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মোল্লা জালাল, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান।

ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এদিন সহায়তাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩০ জনের হাতে চেক হস্তান্তর করেন অতিথিরা। ২০২০-২১ অর্থবছরের বরাদ্দ থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৪৯ জন সাংবাদিক ও সাংবাদিক পরিবারের সদস্যকে ১ কোটি ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা অনুদান প্রদানের কার্যক্রম চলছে এবং এর আগে প্রথম পর্যায়ে ২০১ জনকে ২ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন