করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট অনেক বেশি শক্তিশালী, সংক্রামক এবং লকডাউন বিধিনিষেধের ব্যত্যয় হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সরকার এই লকডাউন কখনো প্রলম্বিত করতে চায় না। কিন্তু জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্যই এ ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন লকডাউন সমাধান বলেও আমরা মনে করি না। সবাই যদি স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলি, তাহলে আমাদের পক্ষে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।’

করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দলের ৮১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির ৫ জন নেতা এই করোনায় মারা গেছেন। অনেক নেতা আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের ১২৫ জনের বেশি সংসদ সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের অনেকে এবং দলের ৭০০ থেকে ৮০০ নেতা–কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।’

এ সময় লকডাউন চলাকালে খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে দলীয় নেতা–কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমাদের দলের নেতা–কর্মীরা সব সময় জনগণের পাশে ছিল, এখনো আছে।’ অতীতের মতো এখনো খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থাকার জন্য তিনি তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন