বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিটি করপোরেশন নির্বাচন আচরণ বিধিমালার ৭ ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো প্রার্থী বা তাহার পক্ষে কোনো রাজনৈতিক দল, অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান (ক) পথসভা ও ঘরোয়া সভা ব্যতীত কোনো জনসভা বা শোভাযাত্রা করিতে পারিবেন না।’

আজ নারায়ণগঞ্জ সিটির খানপুরে পথসভা শেষে তৈমুর আলমের নেতৃত্বে শহরে বড় মিছিল বের হয়। নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা ঢাকঢোল ও হাতি প্রতীক নিয়ে মিছিলে অংশ নেন। পথসভায় তিনি বলেন, ‘জনমত আমাদের পক্ষে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যেভাবে জনগণের সাড়া মিলছে, তাতে ১৮ বছরের ক্ষোভ নিরসনের লক্ষ্যে একটা পরিবর্তন অবশ্যই হবে।’

আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে শহরের খানপুর ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের সামনে থেকে বড় মিছিল নিয়ে তৈমুর আলমের ‘শোডাউন’ শুরু হয়।

নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা ঢাকঢোল ও হাতি প্রতীক নিয়ে মিছিলে অংশ নেন। এ সময় তৈমুর আলম একটি ছাদখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে রাস্তার দুই পাশের উপস্থিত জনতাসহ বাসাবাড়ির বারান্দায় দাঁড়ানো লোকজনের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। তিনি দুই হাত তুলে সবার কাছে দোয়া চান।

মিছিলটি খানপুর থেকে শুরু হয়ে মেট্রো হল মোড়, চাষাড়া, বঙ্গবন্ধু রোড হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বেলা দেড়টায় মিছিলটি আবার মেট্রো হল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলের কারণে সংশ্লিষ্ট সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এভাবে বিশাল শোভাযাত্রার মাধ্যমে বিধিমালা লঙ্ঘন হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তৈমুর আলম আজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা পথসভার দাওয়াত দিয়েছি। লোক বেশি হয়েছে। এটা কোনো মিছিল না।’

বিশাল লোকের এ মিছিল ‘মিছিল’ না হলে একে কী বলা হবে? ‘২৭ ওয়ার্ডের সাড়ে পাঁচ লাখ ভোটার। পথসভা কেমন হইতে পারে বলেন। আমরা কোনো মিছিলের দাওয়াত দিই নাই। পথসভার দাওয়াত দিছি। তবে লোক বেশি হয়ে গেছে। আমরা মিছিল করি নাই। শোভাযাত্রা করেছি।’

আজকের পথসভায় নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাংসদ এস এম আকরামও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, তৈমুর আলম একজন আইনজীবী। তিনি আইনের মানুষ। তিনি কোনো অপরাধীর পক্ষ নেবেন না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করবেন।

শোভাযাত্রা করে নির্বাচনী আচরনবিধি ভঙ্গের বিষয়ে এস এম আকরামের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি পথসভায় ছিলাম। পরে মিছিল হতে পারে। আমি তখন ছিলাম না। এটা যদি আচরণবিধির লঙ্ঘন হয়, তবে কাজটি ঠিক হয়নি।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন