বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কর্মসূচিতে কৃষকদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘কর্মসূচিতে যেন আমরা কৃষকদের সম্পৃক্ত করতে পারি, তার চেষ্টা আমাদের করতে হবে। বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় অংশ হচ্ছে কৃষক। আমাদের এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস সঞ্চয় করতে হবে, এটা জরুরি।’
নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি জিনিসের দাম ১০ থেকে ১৫ গুণ বেড়ে গেছে। আপনাদের মনে আছে, তারা (সরকার) বলেছিল ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াব। এখন সে চাল ৬০ থেকে ৭০ টাকা। বলেছিল বিনা পয়সায় সার দেব। এখন সারের দাম কত? ঘরে ঘরে চাকরি দেবে বলেছিল, সেই চাকরি সাধারণ মানুষ পায় না। যারা পায়, তাদের ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিয়ে চাকরি পায়।’

মিথ্যা বলা আওয়ামী লীগের চরিত্র

মানুষের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রা মজুত নিয়ে সরকার মিথ্যা পরিসংখ্যান দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘তারা রিজার্ভ ৪৬ বিলিয়ন ডলারের কথা বলছে। এটা একটা ভুয়া সংখ্যা দেওয়া হয়েছে। আইএমএফ বলছে, ১৫ পারসেন্ট বাড়িয়ে বলা হয়েছে। অর্থাৎ ৪৬ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার কম। এটা গেল পরীক্ষিত একটা ব্যাপার। মাথাপিছু আয় বাড়ার কথা বলছে। তাই যদি হবে, তাহলে কৃষক শফিউদ্দিন আত্মহত্যা করলেন কেন? কারণ, তিনি সেচের ব্যবস্থা পাননি।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এভাবে আপনি যদি লক্ষ করেন দেখবেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার মিথ্যাচার করছে। গতকালই দেখেছি যে কৃষি খাতে শস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে এখনো ৬৭ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য আমদানি করতে হচ্ছে; যা প্রমাণ করে তারা যে দাবি করে খাদ্যশস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা লাভ করেছে—এটা সম্পূর্ণ একটা ভাঁওতাবাজি ছাড়া আর কিছু নয়।’

অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। এর আগে মাঠপর্যায়ের তিনজন কৃষক জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সদস্য ফরম পূরণ করে কৃষক দলের সদস্য হন। কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফিরের সভাপতিত্বে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নেতা হেলালুজ্জামান তালুকদার, গৌতম চক্রবর্তী, মোশাররফ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন