বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী বিজিবির সদস্যদের মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় একটি সুসজ্জিত দল তাঁকে অভিবাদন জানায়।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বিজিবি সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি পদক বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিবি সদর দপ্তরে বিজিবি সম্মেলন কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইপিআরের প্রায় সাড়ে ১২ হাজার বাঙালি সৈনিক সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং ৮১৭ জন শাহাদতবরণ করেন। ইপিআরের দুজন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্সনায়েক নুর মোহাম্মদ শেখ এবং শহীদ ল্যান্সনায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ আমাদের গর্বের প্রতীক।’ ইপিআরের ৮ জন বীর উত্তম, ৩২ জন বীর বিক্রম ও ৭৭ জন বীর প্রতীক মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শন করে বিজিবির ইতিহাস সমৃদ্ধ করেছেন উল্লেখ করে তিনি শাহাদাতবরণকারী সদস্যদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পরপরই বিডিআরে এ সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে সরকারপ্রধান বলেন, ‘২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আমরা সরকার গঠন করি। সরকার গঠনের ১ মাস ১৯ দিনের মাথায় ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, যা দ্রুত সমাধান করি।’ তৎকালীন বিডিআরের ট্রাজিক ঘটনায় শহীদ ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের মৃত্যু হয়। সব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন