বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার মুক্তির সেই আন্দোলনের পথ ধরে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করেছিলেন এবং সেই ধারাবাহিকতায় জনগণ পরপর তিনবার রায় দিয়ে আওয়ামী লীগকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।

কারামুক্তি দিবসের তাৎপর্যের গভীরতা ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, সেদিন জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে মুক্ত করে পরপর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেয়ার ফলেই আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অর্জিত স্বাধীনতার ৫০ বছরে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দাঁড়িয়ে আমাদের বড় সার্থকতা এখানেই যে আজ পাকিস্তান আমাদের উন্নতি দেখে হা-হুতাশ করে। সব সূচকে আমরা তাদের অনেক আগেই পেছনে ফেলেছি। তাদের প্রধানমন্ত্রী যখন পাকিস্তানকে ১০ বছরের মধ্যে সুইডেন বানানোর কথা বলে, তখন তাদের জনগণ বলে, “সুইডেন লাগবে না, ১০ বছরের মধ্যে আমাদের বাংলাদেশের অবস্থানে নিয়ে যান।”’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের এই অভূতপূর্ব উন্নতিতে ভারতে আলোচনার ঝড়, পাকিস্তানের হা-হুতাশ, জাতিসংঘ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বব্যাপী দেশগুলোর প্রশংসা হলেও আমাদের টিভিতে যাঁরা রাত ১২টার পর টক শোতে বিশেষজ্ঞ হিসেবে পর্দা ফাটান, তাঁদের মুখে আর বিএনপির মুখে কোনো প্রশংসা শুনতে পাওয়া যায় না।’
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আফজালুর রহমানের সঞ্চালনায় সংগঠনের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ সভায় বক্তব্য রাখেন। সভাশেষে প্রধানমন্ত্রী এবং পুরো দেশ ও বিশ্বের মানুষের জন্য প্রার্থনা করা হয়। পরে সেখানে তথ্যমন্ত্রী একটি করোনাসামগ্রী সরবরাহ বুথ উদ্বোধন করেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন