বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুল আলম বলেন, ‘মোটাদাগে যদি বলি, তাঁর সমমানের রাজনীতিক দক্ষিণ এশিয়ায় নেই। অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা, সাহস, ঝুঁকি নেওয়া—সব মিলিয়ে তিনি এক অনন্য নেত্রী। সার্বিকভাবে বিশ্বনেত্রী।’

default-image

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যত উন্নয়নই করি, সাফল্য ধরে রাখতে হলে সংগঠন অবশ্যই শক্তিশালী করতে হবে। দুর্নীতিকে অবশ্যই কমাতে হবে। কোনোভাবেই দল যেন জনগণের সহানুভূতি না হারায়।’

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করে সাবেক আইজিপি ও কলামিস্ট এ কে এম শহীদুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু অনেক ত্যাগ স্বীকার করে দেশকে স্বাধীন করেছেন। দেশের দুঃখী-দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেছেন। তাঁর লক্ষ্যই ছিল দারিদ্র্য থাকবে না, ক্ষুধা থাকবে না, শোষণ থাকবে না, বৈষম্য থাকবে না। বঙ্গবন্ধুর সেই গুণাবলি তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার মধ্যেও আছে।

প্রধানমন্ত্রীর মানবিকতা তুলে ধরে শহীদুল হক বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যখন আসা শুরু করে, তখন আমি পুলিশের আইজি ছিলাম। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে বললাম যে রোহিঙ্গারা যেভাবে আসছে, এটা তো ভয়াবহ অবস্থা। তাদের আসতে দেওয়া ঠিক হবে? প্রধানমন্ত্রী বললেন, কেন ঠিক হবে না? কী করবা, ফেলে দিবা? যেভাবে রোহিঙ্গাদের হত্যা, ধর্ষণ করা হচ্ছে, তারা যাবে কোথায়, আসতে দাও। আমি তো আশ্চর্য হয়ে গেলাম। আমি ভেবেছিলাম, হয়তো তিনিও বলবেন যে দেখো, না আসতে বলো।

তারপর ক্যাম্প দেখতে গেলেন, তিনি সবার কথা শুনলেন, বাচ্চাদের কথা শুনলেন।

তাঁর চোখ দিয়ে এ সময় পানি আসছিল। তারপর মিটিং করলেন কক্সবাজার এসে। পরিষ্কার বললেন, রোহিঙ্গাদের মানবিক যেসব চাহিদা আছে, সেগুলো পূরণ করতে হবে। এ–ও তিনি বললেন, এই রোহিঙ্গা সমস্যা সহজে শেষ হবে না, এটা তাঁর দূরদর্শিতা। মাদার অব হিউম্যানিটি উপাধি তাঁকে বাঙালিরা দেয়নি, বিশ্ববাসী দিয়েছে।’

দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকার কারণে বেঁচে আছেন। অনেকগুলো কারণে শেখ হাসিনার প্রয়োজন ছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ইতিহাস বিকৃতির যে অপসংস্কৃতি চালু হয়েছিল, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই সংস্কৃতির বিপরীতে একটি শক্তিশালী ভিত্তি ও চেতনা বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য রাশিদ আসকারী। তিনি বলেন, তলাবিহীন ঝুড়ির তকমা এখন একুশ শতকের সেরা প্রহসন। এসবের পেছনে ছায়া হয়ে আছে একজনের অনিঃশেষ দায়বোধ, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব। তিনি আর কেউ নন, স্বয়ং শেখ হাসিনা। একটি জরিপের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা তাঁর দলের চেয়েও অধিক জনপ্রিয়।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের আহ্বায়ক মীজানুর রহমান, ফোরামের সদস্যসচিব ও কলামিস্ট মিল্টন বিশ্বাস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার কামালউদ্দীন আহমদ, চিকিৎসক ও কলামিস্ট মামুন আল মাহাতাব প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন