বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব দীপ আজাদ, কোষাধ্যক্ষ খায়রুজ্জামান কামাল, সহসভাপতি মধুসূদন মণ্ডল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ মামুনুর রশীদ, দপ্তর সম্পাদক সেবীকা রানী, সদস্য উম্মুল ওয়ারা, উৎপল কুমার সরকার, শেখ নাজমুল হক ও নুরে জান্নাত সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বক্তব্য ‘আগামী নির্বাচনে পরিবর্তন আসবে’র জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মহাসমুদ্রে আশাই একমাত্র ভরসা, এটি বিএনপির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই আশা নিয়েই ওনারা বেঁচে আছেন। আশা থাকা ভালো, সবাই তো চিরকাল ক্ষমতায় থাকবে না। কিন্তু সেই পরিবর্তন বিএনপির জন্য মানুষ চায় কি না, এটি হচ্ছে প্রশ্ন। উন্নয়ন-অগ্রগতি বাদ দিয়ে যারা মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে কিংবা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে মানুষকে জিম্মি করার, হত্যা-ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করে, তাদের জন্য মানুষ পরিবর্তন চায় কি না, সেটিই প্রশ্ন।’

এর আগে বিএফইউজে নেতাদের সঙ্গে সভায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএফইউজে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন। তারা যেভাবে সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠান করেছে, তা গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার একটি উদাহরণ। এ জন্য বিএফইউজে, নবনির্বাচিত কমিটি এবং নির্বাচন অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে অভিনন্দন।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ সময় টেলিভিশন থেকে কোনো চাকরিচ্যুতি মোটেই বাঞ্ছনীয় নয়। করোনা চলে যাওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের মতো গণমাধ্যমেও সংকট অনেকটাই কেটে গেছে। করোনাকালে যাঁদের চাকরি গেছে, তাঁরা আবার চাকরিতে পুনর্বহাল হবেন বলে আমরা আশা করি।’ এ সময় তিনি জানান, গণমাধ্যমকর্মী আইন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং সম্প্রচার আইন নিয়েও কাজ চলছে।

সাংবাদিকদের সুরক্ষার বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সব গণমাধ্যমকর্মীর জন্য বিমার ব্যবস্থা করলে তাঁদের সুরক্ষা হয়। ওয়েজ বোর্ডেও এটি বলা আছে। আমি সবাইকে অনুরোধ জানাব দায়িত্বশীলভাবে এটি করার জন্য। একজন সাংবাদিক এত বছর চাকরি করার পর শূন্য হাতে চলে যাবেন, এটা হওয়া উচিত নয়।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন