default-image

করোনার ভয়াবহতা নিয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করা সত্ত্বেও সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। করোনায় জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতি বিপর্যস্ত উল্লেখ করে আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতি দেন তিনি।

গণফোরাম সদস্য মোশতাক আহমেদের স্বাক্ষরে কামাল হোসেনের পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, করোনা পরীক্ষার কেন্দ্র ও চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানো হয়নি। পরীক্ষা ও চিকিৎসা করাতে গিয়ে মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিভাগের দুর্বলতা ও দায়িত্বহীনতা অমার্জনীয়। অক্সিজেনের অভাবে যেখানে মানুষ মারা যাচ্ছেন, সেখানে দেশে থাকা ৪০০ ভেন্টিলেশন মেশিন চালু করা যায়নি। কিন্তু আইসিইউর খোঁজে মানুষ মারা যাচ্ছেন।

কামাল আরও বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তিদের একটি বড় অংশ চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ থেকে দূরে থাকছেন এবং সংক্রমণ ছড়াচ্ছেন। মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা সরকারের হিসাব থেকে অনেক বেশি বলে দাবি করেন তিনি।
করোনায় আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দ্রুত মুক্তির দাবি করেন ড. কামাল।

বিজ্ঞাপন

রোজাকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে উল্লেখ করে গণফোরামের সভাপতি বলেন, মানুষের জীবনে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। দ্রব্যমূল্য ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনার আহ্বান জানান তিনি।
কামাল হোসেন বলেন, করোনায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালুর ঘোষণা মুখের বুলি। এ অবস্থা শিক্ষার্থী ও দেশের ভবিষ্যৎকে সংকটে ফেলবে।

সরকারি উদ্যোগে শিক্ষা কার্যক্রমকে অনলাইন শিক্ষা কর্মসূচির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষাব্যবস্থায় সঠিক কার্যক্রম গ্রহণের কথা বলেন ড. কামাল।
গণফোরাম সভাপতি বলেন, করোনা মোকাবিলায় কোনো শৈথিল্য ও দুর্নীতি আশা করেন না তিনি। করোনা নিয়ে কোনো অপরাজনীতি তাঁর কাম্য নয়। গণতন্ত্র, ভোটাধিকারসহ ন্যায্য অধিকার আদায়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন