বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, ২৩ ডিসেম্বর রহমতপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা চালান। একই দিন সন্ধ্যায় দলের সভাপতি কামরুল হাসান খানের ওপর হামলা চালানো হয়। মারধর করা হয় ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদ মেম্বারকেও।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, সাংসদ মাহফুজুর ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহানের লোকজন এসব হামলা করেছেন। এ ঘটনায় মামলা করা হলেও এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ ছাড়া অনেক নেতা–কর্মীকে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেও দুই বছরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়নি। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান ও সাধারণ সম্পাদক মাইন উদ্দিন সাংসদের সঙ্গে আঁতাত করে ত্যাগী ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে জামায়াত–শিবিরের লোকদের নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এ কমিটি জেলা আওয়ামী লীগের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে ১২ ডিসেম্বর জেলা আওয়ামী লীগ ও কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে বলেন নেতা–কর্মীরা।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানার জন্য সাংসদ মাহফুজুর রহমানকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন