default-image

করোনায় আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজন আছে কি না, পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে সরকার তা ঠিক করবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এম এম আমিন উদ্দিন। তিনি বলেছেন, সবকিছু দেখে সরকার এই বিষয়ে বিবেচনা করবে। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে, এ ক্ষেত্রে আদালতের কোনো অনুমতি লাগবে কি না, এমন প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘৪০১ ধারা অনুযায়ী সরকার তাঁকে মুক্তি দিয়েছে। এখন এটি (বিদেশে নিতে হলে) করতে গেলে আদালতে আসতে হবে বলে মনে হচ্ছে। তারপরও না দেখে বলতে পারছি না। এখন ওনার (খালেদা জিয়া) চিকিৎসা কতটুকু প্রয়োজন, এখানে বাংলাদেশে কী ব্যবস্থা আছে, না আছে—সবকিছু দেখে সরকার বিবেচনা করবে।’

বিজ্ঞাপন
default-image

প্রসঙ্গত, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সোমবার ভোর থেকে শ্বাসকষ্ট অনুভব করায় বিকেলে তাঁকে হাসপাতালের কেবিন থেকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। এখন পর্যন্ত তিনি সেখানেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। করোনায় আক্রান্ত খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হওয়ায় তাঁর পরিবার ও দল চাইছে দলীয় চেয়ারপারসনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত একজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, বিএনপির চেয়ারপারসন মূলত সিঙ্গাপুর ও লন্ডনে নিয়মিত চিকিৎসা নিতেন। তাঁর চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকেরা খালেদা জিয়ার অবস্থা সম্পর্কে ভালো জানতেন। এ কারণে দেশের বাইরে আরেকবার নিয়ে গেলে চিকিৎসাটা ভালো হতো। কেননা, খালেদা জিয়া নানা রোগে আক্রান্ত। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া দুই বছরের বেশি কারাগারে ছিলেন। এক বছরের বেশি নিজের বাসায় অনেকটা বন্দিজীবনের মতোই কাটিয়েছেন। এ কারণে একটা থরো পরীক্ষা ও ট্রিটমেন্ট দরকার।’

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন