সভাপতি ও প্রধান অতিথি ছাড়াই বিএনপির কর্মিসভা!

সভাপতি ও প্রধান অতিথি ছাড়াই পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির এক পক্ষের পূর্বনির্ধারিত কর্মিসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে অপর পক্ষ প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় কর্মী সমাবেশ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন সেই পক্ষের আয়োজকেরা। এ নিয়ে বিএনপির সাধারণ নেতা-কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রোববার বেলা তিনটায় উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়কে উপজেলা বিএনপির সভাপতির বাসভবন চত্বরে কর্মিসভার আয়োজন করা হয়। পুনর্নির্ধারিত ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সভাপতি এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর। এতে সভাপতিত্ব করার কথা ছিল উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ কে এম ফারুক আহম্মেদ তালুকদারের। কিন্তু ওই কর্মিসভায় অনুপস্থিত ছিলেন সভাপতি ও প্রধান অতিথি। পরে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ রব মিয়াসহ উপজেলা বিএনপির কয়েক শ নেতা-কর্মী।
সভাপতি ও প্রধান অতিথির অনুপস্থিতির বিষয়ে বাউফল পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির বলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির জরুরি কাজের জন্য তাঁরা কর্মিসভায় উপস্থিত থাকতে পারেননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মী বলেন, এমনিতেই সভাপতি এলাকায় থাকেন না। এরপর ঢাকঢোল পিটিয়ে আসার কথা বলেও আসেননি। এ রকম অভিযোগ অনেক নেতা-কর্মীর।
এদিকে একই দিন এবং একই সময়ে বিএনপির সাবেক সাংসদ শহিদুল আলম তালুকদারের বাসভবনে পৃথক কর্মী সমাবেশের আহ্বান করে বাউফল উপজেলা ছাত্রদল। উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আ. রশিদ চুন্নু মিয়ার। আরও উপস্থিত থাকার কথা ছিল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদকœস্নেহাংশু সরকার ওরফে কুট্টি সরকার ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি গাজী আশফাকুর রহমানের। কিন্তু ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় সভা করা সম্ভব হয়নি। তবে বিএনপির সাবেক সাংসদ তাঁর বাসভবনে কর্মিসভা ডাকার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান তিনি।