বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘দেশের কোনো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকেই বিগত সময়ে কোনো সরকার শক্তিশালী করেনি। যারা ক্ষমতায় ছিল, তারাই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটিকে (ইসি) দুর্বল করেছে। আজ আওয়াজ উঠছে, জাতিসংঘের অধীনে নির্বাচন করতে হবে। এই ব্যর্থতা আমাদের রাজনীতিবিদদের, জনগণের নয়।’
গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, ‘আজ দেশে অনেক সংকট। আমাদের দেশ রক্ষার জন্য লড়তে হবে। দেশ রক্ষা হলে আমরা রাজনীতি করতে পারব।’ সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যও সিলেকশনের মাধ্যমে হয় বলে অভিযোগ করেন আতাউর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন বলেন, ‘দেশের সার্বিক অবস্থা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। বর্তমান সরকারের অতি দলীয়করণের কারণে দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ার উপক্রম। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে যুব নেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।’
এবি যুব পার্টির প্রধান সমন্বয়ক এ বি এম খালিদ হাসান বলেন, ‘সরকার দমন-পীড়নের মাধ্যমে সব বিরোধী দলের কণ্ঠ রোধ করছে। পাশাপাশি হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। দেশকে রক্ষা করতে হলে সব ছোটখাটো বিরোধ চাপা দিয়ে বৃহৎ ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।’

যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মো. আতাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা যারা ভিন্ন ধারায় চিন্তা করি, তাদের একাত্ম হতে হবে। না হলে, এই সরকারের জুলুম থেকে রেহাই নেই।’
ইসলামী ঐক্যজোটের নেতৃত্বাধীন ইসলামী যুব খেলাফত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাওলানা খোরশেদ আলম, ন্যাশনাল পিপলস যুব পার্টির আহ্বায়ক কে এম শামছুল আলম, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বাধীন যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব মো. হাবিবুর রহমান, বিকল্প যুবধারার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সারোয়ার, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতৃত্বাধীন যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুল্লাহ সোহেল, যুব জাগপার (জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি) আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ সভায় বক্তব্য দেন।
আয়োজকেরা জানান, আজকের সভায় যুবলীগ ও যুবদল ছাড়া সব রাজনৈতিক দলের যুব সংগঠনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তাঁরা। ভবিষ্যতেও তাঁরা এ ধরনের সভার আয়োজন করবেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন