বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার শিশু অধিকারবিষয়ক সংসদীয় ককাস ও জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) যৌথ আয়োজনে শিশুদের টিকাদানবিষয়ক ব্রিফিংয়ে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন। সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

চিফ হুইপ বলেছেন, দেশের মানুষকে টিকা দিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুখ্যাতি কুড়িয়েছে। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৯ সালে ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভ্যাকসিন হিরো হিসেবে পুরস্কৃত করে। এরও আগে বাংলাদেশ ২০০৯ ও ২০১২ সালে পুরস্কার লাভ করেছিল।

চিফ হুইপ বলেন, দেশে উন্নত মানের ১০ ধরনের টিকা দেওয়া হয়। ইপিআই কর্মসূচির ফলে ২০০৮ সাল থেকে মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার অনেক কমে গেছে। ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) কাছ থেকে পোলিও নির্মূল সনদও লাভ করেছে।

শিশু অধিকারবিষয়ক সংসদীয় ককাসের সভাপতি শামসুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা, সামিল উদ্দিন আহমেদ, রেজাউল করিম, আরমা দত্ত, তামান্না নুসরাত, আদিবা আনজুম, বাসন্তী চাকমা, খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন, সৈয়দা রুবিনা আক্তার, ইউনিসেফ বাংলাদেশ হেলথ সেকশনের প্রধান সানজানা ভরদ্বাজ ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা ‘বাংলাদেশ প্রজন্ম সংসদ’ প্ল্যাটফর্ম থেকে আসা শিশুরা বক্তব্য তুলে ধরে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন