default-image

গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, সরকার ও বিরোধী দলের চলমান কর্মকাণ্ড দেশকে আরও অনিশ্চয়তা এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে নেবে। এ পরিণতির জন্য সরকার ও ২০-দলীয় জোট উভয়ই দায়ী থাকবে।
আজ শনিবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় সভাপতির ভাষণে ড. কামাল হোসেন এসব কথা বলেন। চলমান সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য সংলাপের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি। তিনি বলেন, একদিকে অবরোধের নামে পেট্রলবোমা আক্রমণ, যানবাহনে-ট্রেনে অগ্নিসংযোগ, রেললাইন উপড়ে ফেলা, সহিংসতা, অন্যদিকে গুম-ক্রসফায়ারের নামে সরকার যে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে তাতে দেশের চলমান সংকট গভীরতর হচ্ছে। যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত, ব্যবসা-বাণিজ্য অচল, গার্মেন্টস সেক্টর হুমকির সম্মুখীন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সংলাপের মাধ্যমে চলমান সংকট দ্রুত সমাধানের পরামর্শ দিলেও সরকার কোনোভাবেই কানে তুলছে না।
বিশিষ্ট এ আইনজীবী বলেন, সরকার অন্য কোনোভাবেও সহিংসতা বন্ধ কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির পথ খুঁজে পাচ্ছে না। ২০ দলও মানুষের জানমাল রক্ষা করে সঠিক আন্দোলনের পথে আসছে না। এমন পরিস্থিতিতে শুধু দেশের মানুষ নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও শঙ্কিত।
ড. কামাল হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি সত্ত্বেও বইমেলা চত্বরে অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড জনগণকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। হুমায়ুন আজাদ, সাগর-রুনি, রাজীব, নারায়ণগঞ্জে চন্দন সরকারসহ অতীত খুনের সঠিক বিচারের পদক্ষেপ সরকারের পক্ষ থেকে নিলে হয়তো অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড ঘটত না। অভিজিৎসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে সরকারের মন্ত্রী ও নেতাদের উদ্দেশ্যমূলক ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যও অপরাধীদের খুঁজে বের করা ও সঠিক তদন্তের অন্তরায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সভায় আরও আলোচনা করেন মোস্তফা মহসীন মন্টু, সুব্রত চৌধুরী, এস এম আলতাফ হোসেন, আবদুল আজিজ, জগলুল হায়দার আফ্রিক, আ ও ম শফিক উল্লাহ, সগীর আনোয়ার, মোশতাক আহমেদ প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন