বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি আয়োজিত ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত মানববন্ধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন।
আইনের কথা বলে মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি (খালেদা জিয়া) যখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে, চিকিৎসকেরা তাঁকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার কথা বলছেন, তখন তাঁকে বিদেশে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা করছে না সরকার। আইন মানুষের চেয়ে বড় নয়। দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নে খালেদা জিয়ার যে অবদান, সেটি স্বীকার করে এই মুহূর্তে তাঁকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো দরকার।

মানববন্ধনে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আমি গতকাল চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছি, তাঁরা আমাকে বলেছেন, দেশে যে ধরনের সরঞ্জামাদি রয়েছে, সেটি তাঁর চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত সাময়িক। যেকোনো সময় খালেদা জিয়ার অবস্থা মারাত্মক হয়ে দেখা দিতে পারে।’

মহাসচিব বলেন, ‘এই দিনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের অবৈধ সরকার বিনা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। আজকের দিনটি আমরা স্মরণ করতে চাই কারণ, এই দিনে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে বিরাজনীতিকীকরণ এবং গণতান্ত্রিক দেশগুলোর তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য একটি প্রহসনের নির্বাচন করেছিল। ওই নির্বাচন দেশে সব রাজনৈতিক দল বর্জন করেছিল। এটি পাতানো নির্বাচন বুঝতে পেরে ভোটাররাও সেদিন ভোট দিতে যাননি।’

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানুল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির প্রমুখ।

এদিকে মানববন্ধন চলাকালে নেতা-কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। নেতা-কর্মীরা বলেন, সামনে বসা ও স্লোগান দেওয়া নিয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে মাইকে কেন্দ্রীয় নেতারা বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন