default-image

ব্যবসায়ীরা স্বাভাবিকভাবেই বাণিজ্য করতে চান। দু–চারজন সিন্ডিকেটধারী ব্যবসায়ী আছেন, তাঁরাই সময় ও সুযোগ বুঝে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে অতিরিক্ত মুনাফা নিয়ে মানুষকে কষ্ট দিচ্ছেন। তবে তাঁদের সংখ্যা খুবই নগণ্য। সরকার ইচ্ছা করলেই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী জি এম কাদের আজ মঙ্গলবার দুপুরে লালমনিরহাট জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। তিনি লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনের সাংসদ।

জি এম কাদের লালমনিরহাট জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

সভা শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, তিনি যখন বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখনো ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এখনকার মতো এতটা অবনতি হয়নি। অথচ এখন যে অবস্থা বিরাজ করছে, তা সত্যিই অসহনীয় ও ভোক্তাসাধারণের জন্য কষ্টকর।

একশ্রেণির মুনাফালোভী ব্যবসায়ীর সিন্ডিকেটের কারণেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন সাবেক এই মন্ত্রী। তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘চলমান পরিস্থিতি একটু আন্তরিকভাবে মনিটরিং করলেই কতটুকু ন্যায্যমূল্য হওয়া উচিত, তা মন্ত্রণালয় বের করতে পারে, সেই ক্ষমতা মন্ত্রণালয়ের আছে।’

দাম কমাতে ধরপাকড়ের দরকার নেই উল্লেখ করে জি এম কাদের বলেন, বাজারে সরবরাহ ঠিক রেখে দু–একজন কে কোথায় সমস্যা করছে, সেদিকে খেয়াল রাখলেই পরিস্থিতি ঠিক হয়ে আসবে।

অন্যদিকে, সড়ক নিরাপত্তা আইন নিয়ে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন। সড়কের নিরাপত্তা বিধান করা সরকারের দায়িত্ব এবং আমাদের সকলের দায়িত্ব। এই আইন সকলের মেনে চলা উচিত। আজ যাঁরা এই আইনের বিপক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন, তাঁদেরও এই আইনের প্রতি সমর্থন জানানো উচিত। কেননা, যাঁরা আজ বিপক্ষে কথা বলছেন, তাঁদেরও সন্তান ও পরিবারের সদস্যরাও যেকোনো সময়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0