বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই দুটি রাজনৈতিক দল আজ সোমবার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন গঠন বিষয়ে সংলাপে অংশ নিয়ে এসব প্রস্তাব দেয়। এদিন সংলাপে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিরও (সিপিবি)। নতুন কিছু বলার নেই জানিয়ে তারা সংলাপে অংশ নিতে অপারগতা প্রকাশ করে। পরে খেলাফত আন্দোলনকে আমন্ত্রণ জানায় রাষ্ট্রপতির দপ্তর।

বঙ্গভবনে প্রথম সংলাপে অংশ নেয় গণতন্ত্রী পার্টি। তাদের সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দলটির সভাপতি আরশ আলী। পরে আলোচনায় অংশ নেয় বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। তাদের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন দলটির চেয়ারম্যান মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী।

গণতন্ত্রী পার্টি নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নসহ আট দফা প্রস্তাব পেশ করে। এর মধ্যে রয়েছে, নির্বাচন কমিশন গঠনে এবার আইন প্রণয়ন সম্ভব না হলে সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের নিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করা যেতে পারে। সার্চ কমিটি যেসব নাম দেবে তা সংসদের কার্য–উপদেষ্টা কমিটিতে পাঠাতে হবে।

এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর সংলাপে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টিও একই ধরনের প্রস্তাব দিয়েছিল। এই দুই দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিক।
বঙ্গভবনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণতন্ত্রী পার্টির নেতাদের স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, রাজনীতিতে সহমত ও সৌহার্দ্যের সংস্কৃতি গড়ে তোলা অপরিহার্য। গণতন্ত্রকে বিকশিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে অন্যের মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

খেলাফত আন্দোলন সংলাপে অংশ নিয়ে ইসি গঠনে আইন প্রণয়নসহ ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করে। তাদের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে ধর্মবিদ্বেষী, চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ, কালো টাকার মালিক, অবৈধ সম্পদের অধিকারী, সন্ত্রাসী, সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী এবং ঋণখেলাপি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে। একই ভাবে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদেরও। নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি কারও মাদকাসক্তির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তার সদস্যপদ বাতিল করতে হবে।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন