বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাত কার্যদিবস পার হওয়ার পরও কোনো উত্তর না পাওয়ার কারণে গঠনতন্ত্রের ১১(খ) ও ১২(খ) ধারা অনুযায়ী সাবিনা আক্তারকে ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।

শোকজের চিঠিতে বলা হয়েছিল, গত ১৬ ডিসেম্বর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ড করেন সাবিনা আক্তার। সেখানে সভাপতি নাজমা আক্তারসহ অনেককে অপমান, নাজেহাল, এমনকি শারীরিকভাবে আহত, লাঞ্ছিত করাসহ তাঁর বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগ আসে। সেসব অভিযোগের জবাব চাওয়া হয় তুহিনের কাছে। তবে সেই শোকজের জবাব দেননি তিনি।

সংগঠন থেকে অব্যাহতির বিষয়ে জানতে চাইলে সাবিনা আক্তার তুহিন বলেন, ‘শুধু সভাপতির সই করা চিঠি দেওয়ায় আমি উত্তর দিইনি। আর ব্যক্তিগত কারণে আমাকেই এখন অব্যাহতি দিয়েছেন সভাপতি। আমি এই অব্যাহতি মানি না। আমি আমার সাংগঠনিক কার্যক্রম করব। প্রধানমন্ত্রী আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি যখন বলবেন, তখনই আমি সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকব।’ এদিকে চিঠির বিষয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাজমা আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক অপু উকিলের কাছে জানতে চেয়ে মুঠোফোনে কল দেওয়া হলেও তাঁরা ধরেননি।

যুব মহিলা লীগের সূত্র বলছে, নাজমা আক্তার ও সাবিনা আক্তারের মধ্যে দ্বন্দ্ব পুরোনো। ঢাকা–১৪ আসনে দীর্ঘদিন ধরেই সাংসদ হতে চাইছেন সাবিনা আক্তার। এই নিয়ে প্রয়াত সাংসদ আসলামুল হকের সঙ্গে দীর্ঘ দ্বন্দ্ব ছিল। এই দ্বন্দ্বে নাজমা আক্তার আসলামুল হকের পক্ষে ছিলেন। অন্যদিকে নাজমা আক্তারের বসবাস ঢাকা–১৮ সংসদীয় আসনে। সাহারা খাতুন মারা যাওয়ার পর ওই আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন নাজমা আক্তার। কিন্তু যুব লীগের ঢাকা উত্তরের সভাপতি হিসেবে সাবিনা এর বিরোধিতা করেন। এই দ্বন্দ্ব থেকেই গত ১৬ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি হয়।

যুব মহিলা লীগের সূত্র আরও জানায়, সংগঠনের সম্মেলন আসন্ন। এই উপলক্ষে দ্বন্দ্ব আরও বেড়েছে। সম্মেলনের আগপর্যন্ত এই ধরনের আরও বিভেদের আশঙ্কা রয়েছে। কারণ, সাবিনা আক্তারকে অব্যাহতি দিলেও তিনি দলীয় কর্মসূচিতে থাকবেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন