বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খন্দকার মোশাররফ অভিযোগ করে বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের অবস্থা এমন যে একটি থানার ওসি একটি জিডি নিতে পারে না, যদি না ওই এলাকার এমপি সুপারিশ না করেন বা ওখানকার আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান না বলেন। একটি জিডি নিতে সাহস পায় না একজন ওসি।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সেই কুমিল্লার ওসি কোরআন শরিফকে মিডিয়ার সামনে দেখাচ্ছেন, টেলিভিশনের সামনে দেখাচ্ছেন এবং এটি ভাইরাল করে দিচ্ছেন। কী বলব এটি? একজন ওসি যদি ওপরের থেকে নির্দেশিত না হয়, এ কাজ করতে পারেন না।’

তিনি বলেন, ‘সুতরাং আমরা মনে করি, এই সরকারের প্ররোচনায় এ ধরনের একটা ঘটনা ঘটানো হয়েছে। কেন? সারা বাংলাদেশে জনগণ এখন ঐক্যবদ্ধ। দল–মত এখানে প্রধান্য নয়। আজকে বাংলাদেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে, যারা এই সরকারে আছে, যত দিন এই সরকারে থাকবে, এখানে কোনো ন্যায়নীতি আর হবে না, আইনের শাসন তো দূরের কথা, এখানে মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার থাকবে না।’

খন্দকার মোশাররফ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে আওয়ামী লীগের সমর্থিত ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেট রয়েছে বলে দাবি করেন। সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জনগণের ব্যাপারে তাঁদের পরোয়া করার কোনো প্রয়োজন নেই। জনগণের ভোটে তো তাঁরা নির্বাচিত হননি।

এখন এই সরকারের হাত থেকে জনগণকে রক্ষা করতে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন বিএনপির এই নেতা। সেই আন্দোলন করতে হবে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে, ইস্পাতকঠিন গণ–ঐক্য সৃষ্টি করে।

নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহিল মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন ও শামসুর রহমান বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফোরামের সেক্রেটারি জেনারেল পারভেজ হোসেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন