বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মুল্লুক হোসেনের লোকজন সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ইউনিয়নের খয়ের গাঁও ব্রিজের পাশে গেলে অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আলমগীর হোসেন ও তাঁর লোকজন হামলা চালান। এ সময় অটোরিকশা ভাঙচুর ও আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যানার পোস্টার ছিনিয়ে নিয়ে উল্লাস করেন এবং প্রচারণায় অংশ নেওয়া লোকজনকে মারধর করা হয়। সে সঙ্গে প্রচারণায় ব্যবহৃত মাইক ও সরঞ্জাম ছিঁড়ে ফেলা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় গত রোববার রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মুল্লুক হোসেন লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আলমগীরসহ তাঁর চার ভাই এবং চার স্বজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১২০-১৩০ জনকে হামলাকারী হিসেবে অভিযোগ করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফয়েজ আহমদ বলেন, ‘লিখিত একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। সেটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পর সত্যতা পাওয়া গেলে মামলা নেওয়া হবে।’ নির্বাচনী উত্তেজনায় এমনটি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আলমগীর বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি সাজানো হয়েছে। মূলত আমার অবস্থান ভালো হওয়ায় জনগণের দৃষ্টি তাঁর দিকে টেনে নিতে তিনি এমনটি করছেন। শুনেছি, ওই চেয়ারম্যান প্রার্থী ভাঙা অটোরিকশা নিয়ে প্রচারণা করতে গিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি সেটি ভাঙচুরের অভিযোগ আনেন। এ ঘটনায় আমি এবং আমার কোনো সমর্থক জড়িত না।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন