বিজ্ঞাপন

জি এম কাদের বলেন, ‘সারা বিশ্ব যখন মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ থেকে ৬ ভাগ চিকিৎসা ব্যবস্থায় খরচ করে, তখন আমরা মাত্র ১ ভাগ খরচ করছি। হাসপাতালগুলোতে ডাক্তার, নার্স, ওষুধসহ প্রয়োজনীয় জনবলের অভাব প্রকট হয়ে উঠেছে। জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেনের ব্যবস্থা নেই। এ কারণেই দিনে দিনে করোনায় মৃত্যুর হার বেড়ে যাচ্ছে।

দলীয় বিবেচনা না করে করোনাকালে প্রকৃত দরিদ্র পরিবারপ্রতি মাসে অন্তত ১০ হাজার টাকা দেওয়ার দাবি করেন জি এম কাদের। তিনি বলেন, তাহলেই বিপর্যস্ত মানুষ ঘর থেকে বের হবে না, লকডাউন কার্যকর হবে।

কাদের আরও বলেন, দেশের মানুষ চিকিৎসা পাচ্ছে না। জেলা-উপজেলা থেকে করোনা রোগী বিভাগীয় শহর ও রাজধানীতে ভিড় করছে। কিন্তু সরকারি হাসপাতালগুলোতে শয্যা না থাকায় রোগীরা বেসরকারি হাসপাতালে লাখ লাখ টাকা খরচ করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আর যাঁদের টাকা নেই, তাঁরা টাকার অভাবে মা-বাবাসহ প্রিয়জনদের বিসর্জন দিচ্ছেন।

জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, সরকারি হিসাবে প্রতি ডোজ ৩০ থেকে ৩৫ ডলার খরচ করে ১ কোটি টিকা আমদানি করেছে সরকার। এ নিয়ে গণমাধ্যমে ব্যাপক লেখালেখি হচ্ছে কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো জবাব নেই। তিনি বলেন, টিকা নিয়ে যদি দুর্নীতি হয়, তার জবাব একদিন দিতেই হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা। বক্তব্য দেন কো-চেয়ারম্যান মুজিবুল হক, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান, মীর আবদুস সবুর প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন