বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে ৫ আগস্ট পৌর ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য নুর করিম ওরফে শাকিলের দুই পায়ে গুলির ঘটনায় অভিযোগ দেওয়া হলেও গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ মামলা নথিভুক্ত করেনি। ওই ঘটনাও শহিদ উল্যাহর নেতৃত্বে হয়েছে বলে থানায় দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বেলা একটার দিকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা শাহজাহান সাজু মওদুদ স্কুলের পাশের একটি আসবাবের দোকানে বসা ছিলেন। এ সময় শহিদ উল্যাহর নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একদল সন্ত্রাসী দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে সেখানে এসে শাহজাহানের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি গুলি করে এবং কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম বলেন, কোম্পানীগঞ্জ থেকে গুলিবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত শাহজাহান সাজু নামের এক ব্যক্তিকে দুপুরে হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতার ওপর হামলার ঘটনার বিষয়ে জানতে কাদের মির্জা ঘোষিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইস্কান্দার হায়দার চৌধুরীকে ফোন দেওয়া হলে গতকাল সন্ধ্যায় তিনি বলেন, তিনি অসুস্থ হয়ে বাড়িতে আছেন। পরে শুনেছেন গন্ডগোলের কথা। বিস্তারিত জানেন না।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুদ্দিন আনোয়ার স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা শাহজাহান সাজুর ওপর হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়, কিন্তু কাউকে পায়নি। এ ঘটনায় পরিবারকে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের নেতা মিজানুর রহমানের পক্ষের সেতুমন্ত্রীর ভাগনে মাহবুবুর রশিদ অভিযোগ করেন, ‘গত মঙ্গলবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে আমাকে, আমার খালাতো ভাইসহ বেশ কয়েকজনকে হত্যার হুমকি দেয় কাদের মির্জার অনুসারী মো. শহিদ উল্যাহ। হুমকির পর ছাত্রলীগের নেতা নুর করিম ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা শাহজাহান সাজুর ওপর হামলা চালানো হয়েছে।’

মাহবুবুর রশিদ অভিযোগ করেন, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র কাদের মির্জা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও শহিদ উল্যাহর নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী বসুরহাট পৌরসভার তৃতীয় তলায় বসবাস করেন। তাঁরা সেখান থেকে বের হয়ে একের পর এক অপরাধ করলেও পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করছে না।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন