সহিংসতা, নাশকতা ও বোমাবাজদের রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামে ১৪-দলের নেতারা। গতকাল শুক্রবার বিকেলে নগরে নাশকতাবিরোধী মিছিল ও সমাবেশে বক্তারা এই আহ্বান জানান।
গতকাল বিকেলে নগরের লালদীঘি ময়দান থেকে নাশকতাবিরোধী একটি মিছিল বের হয়। মিছিলকারীরা নিউমার্কেট, এনায়েত বাজার, চেরাগী পাহাড়, আন্দরকিল্লা ঘুরে আবার লালদীঘি ময়দানে যান। সেখানে সমাবেশে বক্তৃতা করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, সহসভাপতি খোরশেদ আলম ও সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছিরউদ্দিন, জাসদের জসিম উদ্দিন, ন্যাপের আলী আহমদ, ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুদ্দীন খালেদ, গণ-আজাদী লীগের মঈনউদ্দিন আশরাফ প্রমুখ।
সমাবেশে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বোমাবাজদের সঙ্গে আলোচনার প্রশ্নই আসে না। ২০০১ সালে টুইন টাওয়ারে যারা হামলা চালিয়েছিল, তাদের সঙ্গে কি আমেরিকা সংলাপ করেছিল? আমেরিকা সংলাপ না করলে আমরা কেন করব?’
এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, খালেদা জিয়া শহীদ মিনারে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ থেকে প্রমাণিত হয়, তিনি স্বাধীনতার ধারার বিরুদ্ধে। এ দেশের মানুষ একাত্তরে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জয়ী হয়েছিল। এখন বোমাবাজদের রুখে দিয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনবে।
খোরশেদ আলম বলেন, টানা অবরোধ ও হরতাল ডেকে ২০-দলীয় জোট দেশের অর্থনীতি ও শিক্ষাব্যবস্থা পর্যুদস্তু করে দিতে চায়। সাধারণ মানুষ এখন হরতাল-অবরোধে সাড়া দেয় না। এটি এখন অকার্যকর কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। ২০-দলীয় জোটও কিছুদিন পর অকার্যকর রাজনৈতিক জোটে পরিণত হবে।
আ জ ম নাছিরউদ্দিন বলেন, ধ্বংসাত্মক কর্মসূচির কারণে ২০-দলীয় জোট জনগণের ঘৃণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না। এরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন