মির্জা ফখরুল বলেন, টানা দুই দিনে সংঘর্ষ বন্ধ করতে না পারায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তাকে যখন জনগণ দায়ী করছে, সে সময় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিএনপির নিরপরাধ নেতা মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ নিজেদের ব্যর্থতা ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আড়াল করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানত চাঁদাবাজির কারণে এবং নিজেদের প্রভাব বিস্তারে ছাত্রলীগের বিভিন্ন গ্রুপের ভয়াবহ সন্ত্রাসীরা এই ঘটনার জন্য দায়ী। নিউমার্কেটসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই শাসকগোষ্ঠীর ছত্রচ্ছায়ায় ব্যাপক চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ সংঘটিত হচ্ছে। পুলিশের সহায়তায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ সেখানে অপরাধ জগৎ গড়ে তুলেছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, গণমাধ্যমের রিপোর্টিংয়ে বেরিয়ে এসেছে যে এই পুরো এলাকা ইনক্লুডিং টিচার ট্রেনিং সেন্টার, হোস্টেল—সবই ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে। এমনকি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাঁদের জন্য বরাদ্দ করা রুমও সাবলেট ভাড়া দেয়। রিপোর্টে এটাও এসেছে যে ঢাকা কলেজে ছাত্রলীগের সুনির্দিষ্ট কমিটি না থাকার কারণে সেখানে অনেক গ্রুপ আছে। সেই গ্রুপগুলোর বিরোধে এবং তাদের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকার কারণে এসব ঘটনা প্রায়ই ঘটছে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা প্রমাণ করেছে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা নাজুক। পুলিশের উপস্থিতির মধ্যেই ভয়াবহ হামলা, পাল্টাপাল্টি হামলা, মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হেলমেট পরিহিত সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে মানুষ মারছে। অথচ পুলিশ নিষ্ক্রিয়, এ নিষ্ক্রিয়তা জনগণের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ নানা কারণে মানুষ যখন বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে, সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটিয়ে বিএনপিকে জড়াচ্ছে। আগের মতোই মামলার বেড়াজালে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বন্দী করার চক্রান্ত করছে। তিনি বলেন, নিউমার্কেট এলাকায় সহিংস সংঘর্ষ, পুলিশের ভূমিকা এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার ও মামলা আবারও প্রমাণ করল আওয়ামী লীগ সরকার ভয় দেখিয়ে, নির্যাতন করে, হত্যা করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চায়।

তদন্ত কমিটি গঠন

এ ঘটনায় দলের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আমরা জনসমক্ষে প্রকাশ করব।’ এ ঘটনায় বিএনপি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানাবে কি না, জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির কথা আমরা বলি না। কারণ, এই বিচার বিভাগকেও তারা দলীয়করণ করেছে।’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা প্রমাণ করেছে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা নাজুক। পুলিশের উপস্থিতির মধ্যেই ভয়াবহ হামলা, পাল্টাপাল্টি হামলা, মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হেলমেট পরিহিত সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে মানুষ মারছে। অথচ পুলিশ নিষ্ক্রিয়, এ নিষ্ক্রিয়তা জনগণের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ নানা কারণে মানুষ যখন বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে, সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটিয়ে বিএনপিকে জড়াচ্ছে। আগের মতোই মামলার বেড়াজালে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বন্দী করার চক্রান্ত করছে। তিনি বলেন, নিউমার্কেট এলাকায় সহিংস সংঘর্ষ, পুলিশের ভূমিকা এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার ও মামলা আবারও প্রমাণ করল আওয়ামী লীগ সরকার ভয় দেখিয়ে, নির্যাতন করে, হত্যা করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চায়।

তদন্ত কমিটি গঠন

এ ঘটনায় দলের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আমরা জনসমক্ষে প্রকাশ করব।’ এ ঘটনায় বিএনপি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানাবে কি না, জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির কথা আমরা বলি না। কারণ, এই বিচার বিভাগকেও তারা দলীয়করণ করেছে।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন