default-image

হেফাজতের ইসলামের নায়েবে আমীরের পদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মাওলানা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান। তিনি বাংলাদেশ ফরায়েজী আন্দোলনেরও সভাপতি।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান। তাঁর দল বাংলাদেশ ফরায়েজী আন্দোলন এক সময় বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটে ছিল।  

হেফাজতে ইসলাম সূত্রে জানা গেছে, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আহমদ শফীর মৃত্যুর পর গঠিত কমিটিতে প্রথমে আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসানকে রাখা হয়নি। পরে কেন্দ্রীয় মহাসচিব নূর হোসাইন কাসেমী মৃত্যুর পর তাঁকে সংগঠনের নায়েবে আমীরের পদ দেওয়া হয়।

পদত্যাগ বিষয়ে আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের একটা হরতাল হয়ে গেল, সেখানে অনেক জ্বালাও পোড়াও ঘটনা ঘটল। এর পর সারা দেশে আলেম সমাজ এবং কওমি মাদ্রাসাগুলোর ওপর একটা চাপ আসছে। সমস্যা দিন দিন বাড়ছে। সমাধানের জন্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার কোনো উদ্যোগও দেখছি না । হাঙ্গামা থেকে দূরে থাকার জন্যই পদত্যাগ করেছি।’

বিজ্ঞাপন

আব্দুল্লাহ হাসান বলেন, ‘আমি নায়েবে আমীর ছিলাম । কিন্তু সংগঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কখনো যুক্ত ছিলাম না। আমাকে কখনো দাওয়াত দেওয়া হতো না।’

সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান। তিনি বলেন, আহমদ শফীর মৃত্যুর পর হেফাজতে ইসলামে সঙ্কট তৈরি হয়েছে। হেফাজতে ইসলাম এখন কিছু ব্যক্তির নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নের একটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভিন্ন দল ও ভিন্ন মতাদর্শের মানুষ অনুপ্রবেশ করেছে এবং যারা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে হেফাজতে ইসলামকে মাঠে নামানোর চেষ্টা করছে। হেফাজতে ইসলামের কোনো দায় তিনি ও তাঁর দল নেবে না।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন