বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসি কার্যকর হওয়া নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমাদের “বেস্ট প্রোডাক্টগুলোকে” আল্লাহ তাআলা শহীদ হিসেবে কবুল করে নিয়েছেন। তাই শহীদদের রক্ত কথা বলবে ইনশা আল্লাহ। আমরা দ্বীনকে বিজয়ী আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা না করা পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখব।’
জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মহানবী (সা.)–কে আদর্শ নেতা হিসেবে অনুসরণ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান শফিকুর রহমান।

জামায়াত সূত্র জানায়, রোববার সারা দিনে পাঁচ পর্বে এ অনুষ্ঠান হয়। এতে নেতারা ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেন। দলের ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটির আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ৩২ জন নেতা বক্তব্য দেন। এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন জামায়াতের সাবেক আমির ও মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রয়াত গোলাম আযমের বড় ছেলে মামুন আল আযমী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া মতিউর রহমান নিজামীর বড় ছেলে নকীবুর রহমান, আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ছেলে আলী আহমদ মাবরুর এবং প্রয়াত সাবেক আমির মকবুল আহমাদের ছেলে ইসমাইল হোসেন। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশ থেকেও অনেকে আলোচনায় অংশ নেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন