default-image

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রাজনৈতিক অর্জন হচ্ছে, ৫০ বছর পরও আমরা স্বাধীন নই।’ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে শুক্রবার দুপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর ফখরুল সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার বেআইনিভাবে ক্ষমতা দখল করে জনগণের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে, সাংবিধানিক অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে, গণতান্ত্রিক অধিকারগুলোকে কেড়ে নিয়েছে। এ জন্য দেশের মানুষকে আমরা স্বাধীন বলতে পারি না। বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিপন্ন হয়েছে, আমরা শৃঙ্খলিত হয়েছি।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকের এ দিনে বাংলাদেশের যে অবস্থা, বিশেষ করে ঢাকা শহরের; এটা আমাদের কারও কাছে প্রত্যাশিত নয়। একটা অঘোষিত কারফিউর মতো রয়েছে এবং জনগণের চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জনগণকে বাদ দিয়েই আজকের দিনটি (২৬ মার্চ) সরকার উদযাপন করছে।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরে নিরাপত্তার কড়াকড়িতে নেতা-কর্মীদের জিয়াউর রহমানের কবরে যেতে দেওয়া হয়নি। পুলিশের অনুমতি নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মোনাজাত করেন।

বিজ্ঞাপন

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘১৯৭১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল এবং তাঁর ঘোষণায় অনুপ্রাণিত হয়ে জনগণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আজকে ৫০ বছর পরে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা দেখলাম যে জনগণের যে আশা-আকাঙ্ক্ষা ছিল সেই সময়ে, সেই আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘ভারত আমাদের বন্ধুদেশ, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় তারা আমাদের সহযোগিতা করেছে, সে ব্যাপারেও কোনো সন্দেহ নেই। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বন্ধুদেশের সঙ্গে অমীমাংসিত বিষয়গুলোর কোনো সমাধান হয়নি। অথচ আমাদের সরকার কিন্তু একতরফাভাবে ফেনী নদীর পানি দিয়ে দিয়েছে। আজকে সীমান্তে হত্যা বন্ধ হয়নি। তারপরও আমরা বলতে চাই, আমরা সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই। কিন্তু কেউ আমাদের প্রভু হোক, এটা আমরা কখনো চাই না, বাংলাদেশের মানুষও তা মেনে নেবে না।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন