আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ বলেন, ‘আমরা যাতে ধর্মেরও ঊর্ধ্বে গিয়ে সবার মাঝে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সৃষ্টি করি। কারণ, পৃথিবীতে পরিবার একটাই, সেটা মানব পরিবার। একটি পরিবার গড়ে তুললে এ পৃথিবী অনেক সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হবে। তিনি বলেন, যিশুখ্রিষ্ট একে অপরকে ভালোবাসা ও ক্ষমার শিক্ষা দিয়েছেন।

বাংলাদেশের উন্নতির পেছনে খ্রিষ্টান চার্চগুলো অবদান রাখতে পেরেছে জানিয়ে বিজয় এন ডি’ক্রুজ বলেন, ‘শিক্ষাক্ষেত্রে খ্রিষ্টান চার্চের পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলগুলো অনেক উন্নত, মূল্যবোধসম্পন্ন, মানসম্পন্ন শিক্ষাদান করে। স্বাস্থ্যসেবা ও নারীর ক্ষমতায়নের চার্চের অবদান আছে। মাদার তেরেসা সম্প্রদায়ের সিস্টাররা ভালোবাসা ও সেবা দিচ্ছেন। খ্রিষ্টমণ্ডলীর পক্ষে আমরা এ দেশের উন্নয়নে আরও বেশি সম্পৃক্ত হতে চাই।’

বড়দিনের উৎসবে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা আছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে আর্চবিশপ বলেন, কোনো হামলার আশঙ্কা তাঁরা করছেন না। এ ছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এবার প্রার্থনা অনুষ্ঠান একাধিক করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট আয়োজন ঘরোয়াভাবে করার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার বিষয়ে আর্চবিশপ বলেন, ‘এ নির্দেশনায় বড়দিনকে যুক্ত করায় একটু কষ্ট পেয়েছি। এখানে বড়দিন উল্লেখ না করলেই ভালো হতো। তবে এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বড়দিনের চেয়ে থার্টি ফার্স্ট নাইটকে নিয়ে তাঁরা বেশি চিন্তিত।’

ধর্ম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন