প্রেরণার তারুণ্য

মুক্তির পতাকাবাহী

বিজ্ঞাপন
>

কেবল স্বাধীনতাকামী মানুষজন নয়, সব শ্রেণির নারীর কাছে প্রীতিলতা আজ এক উজ্জ্বল প্রেরণা

default-image

১৯৩২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার যখন আত্মাহুতি দেন, তখন দেউলি বন্দিশিবিরে ছিলেন তাঁর জ্ঞাতিভাই ও বিপ্লবী পূর্ণেন্দু দস্তিদার। সেখানেই এর কয়েক দিন আগে প্রীতিলতার শেষ চিঠি পান তিনি। সেই চিঠিতে প্রীতিলতা লিখেছিলেন, ‘আঁধার পথে দিলাম পাড়ি/মরণ-স্বপন দেখে।’
বহু পরে ১৯৬৯ সালে পূর্ণেন্দু দস্তিদারের হাতে রচিত হয়েছিল প্রীতিলতার জীবনী। সেই বইয়ে তাঁর আঁকা প্রীতিলতার একটি আবক্ষ ছবিও ছাপা হয়েছিল। ভাস্কর্যপ্রতিম সেই ছবিটিই পরবর্তীকালে অনেক বইয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। ছোট করে ছাঁটা চুল, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি আর সংকল্পবদ্ধ দৃঢ় মুখমণ্ডল আজ এই উপমহাদেশের মানুষের কাছে শক্তি, সাহস ও আত্মত্যাগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
কিন্তু কী করে ওয়াদ্দেদার পরিবারের ছয় সন্তানের দ্বিতীয় সন্তান প্রীতিলতা হয়ে উঠলেন অগ্নিকন্যা? কখনোই বা এমন ‘মরণ-স্বপনে’র দিকে ছুটতে শুরু করেছিলেন তিনি? প্রীতিলতাকে নিয়ে হরিপদ দের বীরাঙ্গনা প্রীতিলতা, শংকর ঘোষের সম্পাদিত প্রীতিলতা, চিন্ময় চৌধুরীর প্রথম বিপ্লবী নারীশহীদ প্রীতিলতাসহ নানা বই ঘেঁটে মোটামুটি একটা ধারণাও মেলে।
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ১৯১১ সালের ৫ মে মঙ্গলবার চট্টগ্রামের পটিয়ার ধলঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জগবন্ধু ওয়াদ্দেদার ও প্রতিভা দেবীর ছয় সন্তানের মধ্যে প্রীতিলতা ছিলেন দ্বিতীয়। চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যালটির হেড কেরানি জগবন্ধু ওয়াদ্দেদার নগরের আসকার দিঘির দক্ষিণ-পশ্চিম পাড়ে মাটির দোতলা বাড়ি করেছিলেন। সেখানেই কৈশোর কাটে তাঁর।
অন্তর্মুখী স্বভাবের প্রীতিলতা ১৯১৮ সালে ডা. খাস্তগীর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে তাঁর সহপাঠী ছিলেন আরেক বিপ্লবী কল্পনা দত্ত। ভালো ফলাফলের জন্য প্রীতিলতা শিক্ষকদের স্নেহভাজন ছিলেন। তাঁদেরই একজন ছিলেন ইতিহাসের শিক্ষিকা উষাদি। তিনি ছাত্রীদের শোনাতেন দেশের শোষিত-বঞ্চিত মানুষজনের কথা। এর মধ্যে ১৯২৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের টাইগার পাস মোড়ে ঘটে এক ছিনতাইয়ের ঘটনা। রেলওয়ের কর্মচারীদের বেতনের ১৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন সূর্য সেনের বিপ্লবী দলের সদস্যরা। এই ঘটনার পরপর মাস্টারদা সূর্য সেন ও তাঁর সহযোগী অম্বিকা চক্রবর্তী গ্রেপ্তার হন পুলিশের হাতে। খাস্তগীর স্কুলের ছাত্রীদের কাছে এই বিপ্লবীরা ছিলেন ‘স্বদেশি ডাকাত’। শিক্ষিকা উষা সেই ভুল ভাঙালেন। শংকর ঘোষের লেখা প্রীতিলতা বইয়ে এর উল্লেখ পাওয়া যায়। ছাত্রীদের মুখে ‘ডাকাত’ কথাটা শুনে উষা বলেছিলেন, ‘ডাকাত নন, শুধু স্বদেশি। দেশকে ওঁরা ভালোবাসেন। তাই ইংরেজরা ওঁদের বলে ডাকাত।’

কয়েক দিন পর সেই শিক্ষিকাই কয়েকজন ছাত্রীকে পড়তে দিলেন ঝাঁসীর রাণী বইটি। সেই বই পড়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রীতিলতার সহপাঠী কল্পনা দত্ত স্মৃতিকথায় লিখেছিলেন, ‘কোনো কোনো সময় আমরা স্বপ্ন দেখতাম বড় বিজ্ঞানী হব। সেই সময়ে ঝাঁসীর রাণী আমাদের চেতনাকে উদ্দীপ্ত করে। নিজেদের আমরা অকুতোভয় বিপ্লবী হিসেবে দেখা শুরু করলাম।’

১৯২৪ সালে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারা ভারত উপমহাদেশে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গীয় প্রাদেশিক পরিষদে ব্রিটিশ সরকার ১ নম্বর বেঙ্গল অর্ডিন্যান্স নামের এক জরুরি আইন পাস করে। এই আইনের উদ্দেশ্য ছিল, রাজনৈতিক কার্যকলাপের জন্য সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিনা বিচারে আটক রাখা। এই কালাকানুনের কারণে বিপ্লবীরা বাড়িতে বই রাখতেও ভয় পেতেন। মাস্টারদা সূর্য সেনের বিপ্লবী দল ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য পূর্ণেন্দু দস্তিদার নিরাপদ ভেবে এসব নিষিদ্ধ বই এনে রাখতেন তাঁর বোন প্রীতিলতার কাছে। প্রীতিলতা কৌতূহল মেটাতে গিয়েই লুকিয়ে লুকিয়ে পড়ে ফেলেন দেশের কথা, বাঘা যতীন, ক্ষুদিরাম আর কানাইলাল নামের বইগুলো। এর মধ্যে সবচেয়ে আগুন ঝরানো বইটি ছিল দেশের কথা। অবাঙালি মারাঠি ব্রাহ্মণ সখারাম গনেশ দেউস্‌কর বাংলা ভাষা শিখে এই বই লেখেন। বহু সরকারি দলিল ঘেঁটে তিনি দেখিয়েছিলেন ইংরেজ শাসকেরা কীভাবে উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করে ভারতকে লুণ্ঠন করছে।

১৯২৮ সালে কয়েকটি বিষয়ে লেটার মার্কস পেয়ে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করে ঢাকায় ইডেন কলেজে আইএ পড়তে যান প্রীতিলতা। দেশের কথার মতো নানা বই পড়ে ভেতরে তখন আগুন জ্বলছিল। তাই ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে কিছু একটা করতে যোগ দেন দিপালী সংঘ নামের একটি সংগঠনে। লীলা নাগের (বিয়ের পর লীলা রায়) নেতৃত্বে এই সংগঠনটি নারীশিক্ষা প্রসারের আড়ালে স্বাধীনতার জন্য গোপন তৎপরতা চালাত। এ বিষয়ে পরবর্তীকালে তিনি লিখেছিলেন, ‘আইএ পড়ার জন্য ঢাকায় দুই বছর থাকার সময় আমি নিজেকে মহান মাস্টারদার একজন উপযুক্ত কমরেড হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়েছি।’

বোঝা যায়, সূর্য সেনের বিপ্লবী দলে যোগ দেওয়ার ইচ্ছেটা ক্রমশ দানা বেঁধে উঠছিল প্রীতিলতার মধ্যে। ১৯২৯ সালের মে মাসে চট্টগ্রামে ভারতীয় কংগ্রেসের সম্মেলনের সময় সে উদ্দেশ্য নিয়ে কল্পনা দত্তের সঙ্গে হাজিরও হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেবার বিফল হয়ে ফিরে যেতে হয় তাঁদের।

default-image

১৯৩০ সালের ১৯ এপ্রিল আইএ পরীক্ষা দিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ফিরে আসেন প্রীতিলতা। আগের দিন রাতেই চট্টগ্রামে বিপ্লবীদের দীর্ঘ পরিকল্পিত আক্রমণে ধ্বংস হয়ে গেছে অস্ত্রাগার, পুলিশ লাইন, টেলিফোন অফিস ও রেললাইন। ঘটে গেছে ভারতবর্ষের ইংরেজ শাসনামলের অন্যতম তোলপাড় করা ঘটনা ‘চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ’।
নিজের শহরে এমন ঘটনা ঘটলেও তিনি এর অংশ হতে পারেননি। এই আক্ষেপ পোড়াচ্ছিল প্রীতিলতাকে। আর আক্ষেপ নিয়েই আইএ পরীক্ষায় মেয়েদের মধ্যে প্রথম হয়ে কলকাতায় বেথুন কলেজে পড়তে যান তিনি। বিপ্লবী দলে যোগ দিতে না পারলেও দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করতে এ সময় মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। সংকল্পে অটল থাকলেও হতাশা এসে হানাও দিত মাঝেমধ্যে। আর তখন হোস্টেলের ছাদে উঠে বাঁশি বাজাতেন একমনে। এলোমেলো সে দিনগুলোতেই তাঁর সঙ্গে দেখা হলো রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের। কলকাতার অলিপুর জেলে তখন ফাঁসির জন্য দিন গুনছিলেন সূর্য সেনের সহযোগী বিপ্লবী রামকৃষ্ণ বিশ্বাস। ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ টি জে ক্রেগকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ চালিয়ে তিনি ও কালীপদ চক্রবর্তী ভুলবশত চাঁদপুরের এসডিও তারিণী মুখার্জিকে হত্যা করেছিলেন। এ ঘটনার পর গ্রেপ্তার হন দুজনই। কালীপদ চক্রবর্তীর নির্বাসন এবং রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের ফাঁসির সাজা হয়।

প্রীতিলতা অলিপুর জেলে গিয়ে বোন পরিচয় দিয়ে একেবারে অচেনা রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের সঙ্গে দেখা করেন। বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করেন, রামকৃষ্ণ মৃত্যুর জন্য অসম্ভব প্রশান্তির সঙ্গেই অপেক্ষা করছেন। ১৯৩১ সালের ৪ আগস্ট রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের ফাঁসির আগ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার দেখা হয়েছিল তাঁদের। এই ঘটনার পর প্রীতিলতা যেন একটাই স্থির লক্ষ্যের দিকে ছুটে চলছিলেন। আর সেই লক্ষ্যবিন্দুটা হলো দেশের জন্য আত্মোৎসর্গ।

১৯৩২ সালে ডিস্টিংশন নিয়ে তিনি বিএ পাস করে চট্টগ্রামে ফিরে পরিবারের প্রয়োজনে অপর্ণাচরণ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার পদে চাকরিও নিলেন। মন থেকে তখন সমাজ-সংসার সবই লোপ পেয়েছে। রামকৃষ্ণের উজ্জ্বল মুখখানাই কেবল সত্যি মনে হতে লাগল তাঁর কাছে।

চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহে অনেক বিপ্লবী মারা গেছেন তত দিনে। অনেকে জেলে। আর আত্মগোপনে থাকা সূর্য সেনসহ কয়েকজনের মাথার দামও ঘোষণা করেছে ব্রিটিশ সরকার। এমন কোণঠাসা অবস্থায়ও বিপ্লবীরা লড়াই জারি রেখেছিলেন। এই সময় আত্মগোপনে থাকা নির্মল সেনের সঙ্গে দেখা করে প্রীতিলতা তাঁর দীর্ঘ প্রতীক্ষার কথা জানালেন। নির্মল সেন বুঝতে পারলেন টলানো যাবে না এই মেয়েকে।

১৯৩২ সালের ১২ জুন তুমুল ঝড়-বৃষ্টির দিনে মাস্টারদার পাঠানো এক লোক প্রীতিলতাকে চট্টগ্রামের এক বাড়িতে নিয়ে আসেন। সাবিত্রী দেবী নামের এক নারীর ওই বাড়িতে মাস্টারদা ও নির্মল সেন ছাড়াও ছিলেন তরুণ বিপ্লবী অপূর্ব সেন (ভোলা)। কিন্তু বিপ্লবী জীবনের শুরুতে কী অপেক্ষা করছে তা জানতেন না প্রীতিলতা। টের পেলেন এর পরদিন।

বিপ্লবীদের অবস্থানের খবর জেনে ১৩ জুন সন্ধ্যায় ক্যাপ্টেন ক্যামেরনের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালায় ওই বাড়িতে। অভিযানে নির্মল সেনের গুলিতে ক্যাপ্টেন ক্যামেরন মারা গেলেও পাল্টা গুলিতে তিনি নিজেও নিহত হন। মারা যান বিপ্লবী অপূর্ব সেনও। তবে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন প্রীতিলতা ও সূর্য সেন।

এই ঘটনার পর ওই বাড়িতে বিভিন্ন সময়ে একাধিক তল্লাশিতে প্রীতিলতার ছবি পাওয়া যায়। চট্টগ্রামের বাড়িতে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখিও হন তিনি। বুঝতে পারেন জাল দিয়ে ঘিরে ফেলা হচ্ছে তাঁকে। জুলাই মাসে গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপন করেন তিনি।

নির্মল সেন ও অপূর্ব সেনের মৃত্যুর পর পাল্টা আঘাত হানার প্রয়োজন ছিল যেন। আর সূর্য সেন সেটাই করেন। ২৪ সেপ্টেম্বর পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে হামলার পরিকল্পনা নিলেন। হামলার দায়িত্বভার তিনি দিতে চেয়েছিলেন কল্পনা দত্তকে। কিন্তু ঘটনার এক সপ্তাহ আগে কল্পনা দত্ত গ্রেপ্তার হলে দায়িত্ব চাপে প্রীতিলতার কাঁধে।

হামলার দিন নিজ হাতে সূর্য সেন প্রীতিলতাকে সামরিক পোশাক পরিয়ে দিয়েছিলেন। সেদিন ছিল শনিবার, প্রায় ৪০ জন মানুষ তখন ক্লাবঘরে অবস্থান করছিল। তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে বিপ্লবীরা ক্লাব আক্রমণ শুরু করেন রাত ১০টা নাগাদ। প্রীতিলতার পরনে ছিল খাকি শার্ট, ধুতি, মাথায় পাগড়ি ও কোমরে চামড়ার কটিবদ্ধে রিভলবার। অভিযানের শেষ দিকে হঠাৎ একজন গুর্খা অফিসারের ছোড়া গুলিতে প্রীতিলতা মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েন। নির্দেশ অনুযায়ী ধরা না দিতে মুখে পুরে দেন পটাশিয়াম সায়ানাইড। পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী সেদিনের আক্রমণে মিসেস সুলিভান নামের একজন ইংরেজ নারী নিহত হন এবং চারজন পুরুষ ও সাতজন নারী আহত হন।

ওই দিন প্রীতিলতার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল তাঁর নিজের স্বাক্ষর করা প্রচারপত্র ও রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের ছবি। প্রচারপত্রের একটি লাইন ছিল এমন, ‘আমার দেশের ভগিনীরা আজ নিজেকে দুর্বল মনে করিবেন না।’ কেবল স্বাধীনতাকামী মানুষজন নয়, সব শ্রেণির নারীর কাছে প্রীতিলতা আজ এক উজ্জ্বল প্রেরণা।

বীরকন্যা প্রীতিলতা বইয়ে পূর্ণেন্দু দস্তিদার লিখেছেন, ‘চট্টগ্রামের একটি তরুণী নিজের মাতৃভূমিকে সাম্রাজ্যবাদের কবলমুক্ত করার জন্য যে “মরণ-স্বপন” দেখেছিল, তার কর্মপন্থা যুগের সঙ্গে সঙ্গে নিঃসন্দেহে পরিত্যক্ত হয়েছে। কিন্তু তার দেশপ্রেম প্রশ্নাতীত, তার অটুট আদর্শনিষ্ঠা আজও প্রেরণা সঞ্চারী। ভিয়েতনাম, আলজেরিয়া, আরবভূমি ও বিশ্বের অনেক সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ শোষিত দেশে বহু মেয়ে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদান করে নারীর সংগ্রামী মর্যাদা ও দক্ষতার নতুন ইতিহাস রচনা করেছে ও করছে। এরা প্রীতিলতার পতাকাবাহী।’

আহমেদ মুনির: কবি ও সাংবাদিক

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন