default-image

পৃথিবীতে বাংলা ভাষা আজ ২৮ কোটি বা তারও বেশি মানুষের ভাষা। জনসংখ্যার বিচারে এই ভাষা সপ্তম অবস্থানে আর মাতৃভাষার দিক থেকে পঞ্চম। এথনোলগের বিশ্বভাষাবিষয়ক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, পৃথিবীর ১০টি দেশে এই ভাষাভাষী মানুষ রয়েছে। আমাদের হিসাবে এ সংখ্যা আরও বেশি। বাংলা ভাষা শুধু বাংলাদেশের প্রায় ১৬ কোটি মানুষের মাতৃভাষাই নয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ওডিশা, আসাম, বিহারসহ আরও কয়েকটি প্রদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ বাংলা ভাষার চর্চা করে থাকে। এ ছাড়া বাংলাদেশের বাইরে মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান, মালয়েশিয়াসহ ইউরোপের অনেক দেশে যে অসংখ্য বাংলাভাষী বসবাস করে, তারাও নিজ উদ্যোগে বাংলা ভাষা চর্চা, গবেষণা ও প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি ইউরোপ, আমেরিকা, জাপান ও কানাডা থেকে বাংলা ভাষায় বর্তমানে একাধিক সংবাদপত্র প্রকাশিত হচ্ছে এবং টিভি-বেতার চ্যানেলে অনুষ্ঠান বাংলা ভাষায় সম্প্রচারিত হচ্ছে। ইউরোপ-আফ্রিকাসহ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে কাজ করছেন বাংলাদেশের সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। ফলে সেখানেও বাংলা ভাষা চর্চা হচ্ছে নানাভাবে। ক্রমান্বয়ে বাংলা ভাষা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে পৃথিবীব্যাপী। সম্প্রতি সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে তাদের দেশে দ্বিতীয় ভাষার মর্যাদাও দিয়েছে।
আমরা এ নিবন্ধে বাংলাদেশের বাইরে বাংলা ভাষা চর্চার কিছু তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরতে চাই। উল্লেখ্য, প্রবাসী বাঙালিদের বাংলা ভাষার চর্চার চেয়ে আমরা বিদেশের যেসব প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির উদ্যোগে বর্তমানে বাংলা ভাষা চর্চা চলছে, তার একটা সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরতে চেষ্টা করব। এটি অবশ্যই সম্পূর্ণ তালিকা নয়। বহির্বিশ্বে বাংলা ভাষা চর্চার ক্ষেত্রে স্বাধীনতাপূর্বকালে ইংল্যান্ড, আমেরিকা ও জাপান আর আশির দশক পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়া। তখন বাংলা ভাষার সেরা সেরা ক্লাসিক গ্রন্থ প্রকাশিত হতো সেখান থেকে।
ইংল্যান্ডের ইস্ট লন্ডন, ম্যানচেস্টার ও বার্মিংহামে অসংখ্য বাংলাভাষীর বাস। সেখানকার সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে যেমন বাংলা শেখার ও চর্চার সুযোগ রয়েছে, তেমনি বাংলা গবেষণাসহ নানা ধরনের প্রকাশনাও আমরা লক্ষ করি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্ব থেকেই লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের সোয়াসে প্রাচ্যবিদ্যা ও ভাষাচর্চা বিভাগের অধীনে বাংলার চর্চা চলছে, চলছে গবেষণাও। আর এখানে বাংলা ভাষাভাষীদের পাশাপাশি কাজ করছেন জেডি এন্ডারসন, টি ডব্লিউ ক্লার্ক (কেমব্রিজ), জন বোল্টন, উইলিয়াম রাদিচে, হানা রুথ টমসন প্রমুখ। বর্তমানে হানা টমসন বাংলা বিভাগটি পরিচালনা করছেন সোয়াসে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অদিতি লাহিড়ি বাংলা রূপতত্ত্ব ও ধ্বনিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করছেন প্রায় দশক ধরে।
এরপর বাংলা চর্চা এবং গবেষণার অন্যতম দেশ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখানেও কমপক্ষে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও এশীয় গবেষণা কেন্দ্রে বাংলা ভাষা চর্চা হচ্ছে। এর মধ্যে নিউইয়র্ক, ইথাকা, শিকাগো, মিনেসোটা, ফ্লোরিডা, মেরিল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া, ভার্জিনিয়া, উইসকনসিন, হার্ভার্ড প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষার অর্থ প্রকাশে মনস্তত্ত্বের ভূমিকা নিয়ে কাজ করছেন জাস্টিন আলফানসো চাকোন, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাশাদ আহমেদ করছেন ওয়াশিংটনে বাংলা স্ল্যাং নিয়ে। নিউইয়র্কে মারিয়া হেলেন বেরো কাজ করেন নজরুল সাহিত্য নিয়ে। এমনকি তাঁর এ বিষয়ে গ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলা ভাষা শিক্ষাদান ছাড়াও গবেষণা হচ্ছে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ, লালন, চর্যাপদ এবং মধ্যযুগের সাহিত্য নিয়েও। যেসব গবেষক এ কাজে জড়িত ছিলেন বা আছেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হচ্ছেন ক্লিনটন বি সিলি, র্যাচেনল ফন বমার, র্যালফ নিকোলাস, ডেভিড কফ ব্যাচেলবাওয়া, ক্যারল সলোমন, রিকি সলোমন, উইন্সটন ল্যাংলি, ক্যারোলিন রাইট, হেনরি গ্লাসি, কেলম্যান, অ্যান্ড্রু সিম্পসন, আনে ডেভিড প্রমুখ। এদের মধ্যে ক্লিনটন বি সিলি বাংলা ভাষার কবি জীবনানন্দ দাশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। অ্যান্ড্রু সিম্পসন দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণারত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সলিম-উদ-দৌলা খান ও ভারতের ইন্দ্রনীল দত্ত উচ্চতর গবেষণা করেছেন বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান নিয়ে। উল্লেখ্য, আমেরিকার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস কিংবা লস অ্যাঞ্জেলেসে গড়ে উঠেছে বাঙালি পাড়া, যেখানে বাংলা ভাষার এক নতুন প্রবাসী-সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
কানাডায় জোসেফ ও কনেল, ভ্যাঙ্কুভারে ব্যারি মরিসন প্রমুখসহ বেশ কিছু প্রবাসী ব্যক্তি বাংলায় অধ্যাপনা ও গবেষণায় নিয়োজিত। মন্ট্রিয়ল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাজেন্দ্র সিংহের বাংলা বিষয়ে গবেষণা ও সম্পাদিত প্রকাশনা রয়েছে। আমরা অস্ট্রেলিয়ায় পাই স্থানীয় ও প্রবাসী বাঙালিদের এক জনগোষ্ঠী, যাঁরা নিয়মিত বাংলা চর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন। অতীতে বাংলা বিষয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে শিবনারায়ণ রায় এবং আবু সয়ীদ আইয়ুবের বাইরে মারিয়েন ম্যাডার্নের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয় সে দেশের বিদ্যালয়ে যেসব এশীয় ভাষা শেখার অনুমতি ও গুরুত্ব দিয়েছে, তার মধ্যে বাংলার অবস্থান তৃতীয়।
এশিয়ার মধ্যে (মধ্যপ্রাচ্য বাদ দিয়ে) জাপান, চীন, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় বাংলা গবেষণা ও চর্চা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে অগ্রণী নিঃসন্দেহে জাপান এবং সাম্প্রতিক চীন। জাপানে প্রায় ৭০ বছর আগে কাজুয়ো আজুমা রবীন্দ্রপ্রেম থেকে বাংলা ভাষার চর্চা শুরু করেছিলেন। তিনি সারা জীবন কাটিয়েছেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চা করে। জাপান ফাউন্ডেশন ও টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের কে ই শিরায়, অধ্যাপক কে নারা (সম্প্রতি তিনি মারা গেছেন), কিওকো নিওয়া এবং বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাঙালি গবেষক সেখানে কাজ করছেন। তিন বছর আগে টোকিও ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজে শুরু হয়েছে বাংলা ভাষা শেখানো, জাপানি শিক্ষার্থীরা সেখানে বাংলা ভাষা শেখা ও চর্চার সুযোগ পাচ্ছে। বর্তমানে এই বিভাগে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩০ জন। সেখানে পাঠদান করছেন কিওকো নিওয়া, কাজুহিরো ওয়াতানাবে, মনজুরুল হক প্রমুখ। কিয়োতো এবং ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে বাংলা ভাষা শিক্ষা দিচ্ছেন বাংলা ভাষার তরুণ গবেষক হুজিয়ারা। তিনি বাংলা ছাড়াও বাংলাদেশের চাক ভাষা নিয়ে অভিধান রচনা করছেন। এ ছাড়া গিফু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিদিকি মাকি যৌথভাবে বাংলা ও জাপানি ভাষার বাক্য গঠন নিয়ে তুলনামূলক গবেষণা করছেন। রেডিও এনএইচকেতে বাংলা ভাষা শিক্ষাসহ নিয়মিত বাংলা অনুষ্ঠান হচ্ছে।
চীনে রেডিও বেইজিংয়ে বাংলায় সম্প্রচার চলে আসছে সেই দীর্ঘদিন থেকে। চীন থেকে প্রকাশিত হয়েছে বেশ কিছু বাংলা অনুবাদকর্মও। গত কয়েক বছরে সেখানে ব্যাপকভাবে বাংলা ভাষা নিয়ে কাজ চলছে। বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথ নিয়ে বাংলা থেকে চীনা ভাষায় অনুবাদের কাজ করছেন প্রায় ৩০ জন সিআরআইয়ের (চায়না রেডিও ইন্টারন্যাশনাল) সাবেক কর্মী। এ ছাড়া চায়না ব্রডকাস্টিং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান চাং সিং অনুবাদসহ বাংলা নিয়ে কাজ করার জন্য বেশ কিছু চীনা গবেষককে সংযুক্ত করেছেন। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে বর্তমানে তাঁদের মধ্যে যেমন বাংলা ভাষা শেখার আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি সে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও বাংলা ভাষা নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে।
আমাদের জানামতে, চেক রিপাবলিকে প্রথম মহাযুদ্ধ-পরবর্তীকালে বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে বাংলা চর্চা শুরু হয় মূলত রবীন্দ্রনাথের নোবেল বিজয়ের পরপর। ভি লেসলি, দুশন জভাভিতলে এবং হান্না পেইনরো হেলতেমেভা এ কাজে অগ্রণী ছিলেন। বিগত কয়েক বছর থেকে প্রাহা (প্রাগ) বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা শেখানো হচ্ছে। সেখানে মার্টিন রিভেক বাংলা বিভাগে পাঠদানও বাংলা কবিতা নিয়ে গবেষণা করছেন। ইউরোপের মধ্যে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, বেলজিয়াম, পোল্যান্ড প্রভৃতি দেশে বাংলা চর্চা ও গবেষণা চলছে।
জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবাসী কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত ও মার্টিন কেম্পশেন; ফ্রান্সে ফ্রাঁস ভট্টাচার্য, মাদাম আনসারি, ক্যাথরিন তোমা ভট্টাচার্য প্রমুখ শুরু করলেও এখন নতুন প্রজন্মের অনেকেই বাংলা ভাষাচর্চায় আগ্রহী যেমন জোসেফ বায়ার জার্মানির কনস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং হান্স হার্ডার দক্ষিণ এশীয় সাহিত্য নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বাংলা চর্যাপদ নিয়ে গবেষণা করছেন দীর্ঘদিন। ইতালিতে অধ্যাপক মারামারা বাংলা নিয়ে কাজ করছেন, পোল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এলভিয়েতা ওয়োল্টার বাংলা থেকে পোলিশ ভাষায় রবীন্দ্রনাথ ও বিভূতিভূষণ অনুবাদ করছেন। বেলজিয়ামে ফাদার পল দ্যতিয়েন বাংলা ভাষা নিয়ে কাজ করে চলছেন দীর্ঘদিন। তিনি এখনো সক্রিয়। বাংলা ভাষার পুরোনো বই বা পাণ্ডুলিপি থেকে শুরু করে তিনি অনেক কাজ করেছেন। বাংলা পত্রিকায়ও লিখছেন নিয়মিত। এবার বাংলা একাডেমির গ্রন্থমেলায় তিনি বাংলাদেশেও এসেছেন। নরওয়ের থ্রমসো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিলিয়ান রামচান্দ এবং নেদারল্যান্ডসের গবেষক ভিক্টর ভ্যান বিজার্ট ও অধ্যাপক উইলিয়াম ভ্যানদারউফ বেঙ্গল স্টাডিজ ও বাংলা ভাষাতত্ত্ব নিয়ে কাজ করছেন। এ বিষয়ে অতি সম্প্রতি জানা গেছে, ডেনমার্কের অলবো বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা বিষয়ে গবেষণার জন্য একটি বেঙ্গল স্টাডি সেন্টার খোলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বাংলাদেশের বাইরে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত প্রায় এক কোটি বাঙালি তাঁদের মাতৃভাষার দীপ জ্বালিয়ে রেখেছেন। যদিও সেখানে বাংলা ভাষার চর্চা বা গবেষণা হয় না। তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের কাতার, বাহরাইন ও ওমান থেকে বাংলায় প্রথম আলো প্রকাশিত হচ্ছে। অবশ্য ইউরোপ, আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি বাংলা চর্চা হয়—এমনকি কোথাও কোথাও নজরুল ও রবীন্দ্র সেন্টারও রয়েছে। ইংল্যান্ডের শতাধিক বিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা শেখানো হচ্ছে। নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডায় বাংলা ভাষা চর্চা ও গবেষণা হচ্ছে। সেমিনারও হয় নিয়মিত। বর্তমানে উত্তর আমেরিকায় দুই বছর পর পর নজরুল কনফারেন্স হচ্ছে। ফ্লোরিডায়ও বাঙালিদের মিলন উৎসবে বাংলা ভাষার চর্চা ও আলোচনা চলছে নিয়মিত। হচ্ছে মন্ট্রিয়ল, টরন্টো, সিডনি, মেলবোর্ন, টোকিও, ওসাকা, সিঙ্গাপুরে। কাজেই বাংলা ভাষা এখন বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে—এ কথা বলতেই হয়। মূলত প্রবাসী বাঙালিরা এসবের প্রধান উদ্যোক্তা। মরক্কোতে আরবি ভাষায় নজরুল সাহিত্য অনুবাদ হচ্ছে। আমাদের ভাষা-সাহিত্য বাইরে ছড়িয়ে পড়ার আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে একুশে ফেব্রুয়ারি বর্তমানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। পৃথিবীতে বাংলা ভাষার পরিচিতি এখন অনেক বেড়েছে। ফলে বাংলা ভাষার চর্চা ও গবেষণায় অগ্রহ প্রকাশ করছেন বিদেশি অধ্যাপক-গবেষকেরা।

বিজ্ঞাপন
অমর একুশে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন