ম্যাচ শেষে জয়ী রাজস্থান রয়্যালসের খেলোয়াড়দের আনন্দ
বিসিসিআই

আইপিএলের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো দ্রুত রান তোলার জন্য ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ হলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। রাজস্থান রয়্যালসের ইনিংসের ১৮.২ ওভারে ২৩ বলে দ্রুত রান তোলার জন্য মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হলো তাঁকে। তাঁর বদলে নামলেন রিয়ান পরাগ। মাত্র ৪ বল খেলে ৮ রান করলেন তিনি। খুব যে সফল হলেন, সেটি বলা যাবে না। কিন্তু রাজস্থান ২০ ওভার শেষে তুলল ৬ উইকেটে ১৬৫। পুনে সেই সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে থামল ৩ রান দূরে।

বিশ্ব ক্রিকেটে চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুত রান তুলতে রিটায়ার্ড হার্ট করানো হলো অশ্বিনকে। এর আগে পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদি, ভুটানের সোনাম টোবগে আর বাংলাদেশের সানজামুল ইসলামকে কৌশলগত কারণে তুলে নেওয়া হয়েছিল। সানজামুলেরটা ২০১৯ সালের বিপিএলের ঘটনা। আইপিএলে এই প্রথম এমন কিছু ঘটল।

স্টয়নিস চেষ্টা করেও জেতাতে পারেননি লক্ষ্ণৌকে
বিসিসিআই

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজস্থানের ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লক্ষ্ণৌয়ের সামনে জয়ের জন্য ১৬৬ রানের লক্ষ্য রাখতে পারে রাজস্থান। তবে ৬৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল তারা। উদ্বোধনী জুটিতে ৪২ রান তোলার পর ইনিংসের ৬ থেকে ১০ নম্বর ওভারের মধ্যে ৪ উইকেট হারায় রাজস্থান। আজ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান জস বাটলার আর অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন ছিলেন ব্যর্থ। আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান দেবদূত পাডিকলও নিজের ইনিংস খুব বড় করতে পারেননি। ২৯ বলে ২৯ করেছেন তিনি। ব্যর্থ ছিলেন রাসি ফন ডার ডুসেনও।

এরপর রাজস্থানের ইনিংস টানেন শিমরন হেটমায়ার। শেষ অবধি ৩৬ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। তিনি ছয়টি ছক্কা মেরেছেন। মেরেছেন ১টি বাউন্ডারিও। পঞ্চম উইকেট জুটিতে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ৬৮ রানের জুটিই রাজস্থানকে লড়াই করার অবস্থানে পৌঁছে দেয়। অশ্বিন ২টি ছক্কায় মাঠ ছাড়ার আগে ২৩ বলে করেন ২৮।
লক্ষ্ণৌয়ের সফলতম বোলার ছিলেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। তিনি ৩০ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। ৫০ রান দিয়ে ২ উইকেট পান জেসন হোল্ডার। আবেশ খান নিয়েছেন ১টি উইকেট।

দ্রুত রান তোলার জন্য আইপিএলে এই প্রথম রিটায়ার্ড হার্ট করা হয় অশ্বিনকে
বিসিসিআই

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ট্রেন্ট বোল্টের জোড়া ধাক্কায় বিপদে পড়ে যায় লক্ষ্ণৌ। লোকেশ রাহুল শূন্য রানে ফিরেছেন। রানের খাতা না খুলে ফিরেছেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতমও। পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেন কুইন্টন ডি কক। তিনি ৩২ বলে করেছেন ৩৯। জেসন হোল্ডারও রান পাননি। ৮ রান করেই আউট তিনি। শেষ দিকে মার্কাস স্টয়নিস কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন। ১৭ বলে ৩৭ করেছেন তিনি। স্টয়নিসই মূলত লক্ষ্ণৌকে জয়ের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ৮ উইকেটে ১৬২ রান করেই থামে লক্ষ্ণৌ।