অবশ্য এমন সংকটে ক্রিকেটের তেমন ক্ষতি হয়নি বলেই মনে করেন নাভিদ, ‘আমাদের ওপর এখন পর্যন্ত প্রভাব পড়েছে বলে মনে হয় না। ক্রিকেটের কর্মসূচি নিয়েই ক্রিকেটাররা ব্যস্ত ছিল। কয়েক মাস ধরেই অনুশীলন চলছে। তাদের ওপর প্রভাব পড়েছে, এমন ঘটনা দেখিনি।’

default-image

তবে এ মুহূর্তে ক্রিকেটের বাইরের যে জীবন, সেটির অস্থিরতার কথা ঠিকই মাথায় আছে বাংলাদেশকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতানো এই কোচের, ‘খুব বেশি ইতিবাচক নেই (এখন)। দল হিসেবে দেশে কিছু ইতিবাচক ব্যাপার নিয়ে ফিরতে চাই, যেন তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করা যায়। এটাই মূল ব্যাপার।’

এ সিরিজকে একটা সুযোগ হিসেবেও নিতে চান তাঁরা, ‘আমার মনে হয়, আন্তর্জাতিক খবরে আসার ভালো সুযোগ। দেশে সাদা বলে ভালো করেছি। আশা করি ছেলেরা ভালো করবে, দেশে ইতিবাচক কিছু নিয়ে ফিরবে।’

এমনিতে বাংলাদেশের মাটিতে এর আগে আটটি টেস্ট খেলে একটিও হারেনি শ্রীলঙ্কা। নাভিদের মতে, সফরকারী দল হিসেবে তাঁদের নির্ভর করতে হবে এসব অতীত পারফরম্যান্সের ওপরই। তবে এবার দলে থাকা কুশল মেন্ডিস, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা সম্প্রতি শেষ হওয়া ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলেছেন। সব মিলিয়ে নাভিদ আশাবাদী, ‘আমাদের কিছু খেলোয়াড় আছে যারা এ কন্ডিশনের সঙ্গে অভ্যস্ত, কয়েকজন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলেছে। বিপিএলেও। কেউ কেউ সর্বশেষ টেস্ট সিরিজে খেলেছে। সবাই আশাবাদী, সামনে যা-ই আসুক না কেন। চট্টগ্রামে গিয়ে পিচ দেখে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব।’

default-image

দুই দলের মধ্যে একটা মিলও খুঁজে পাচ্ছেন এই কোচ, ‘ব্যাটিংয়ে তাকালে দেখবেন, প্রায় একই। বাংলাদেশেও কিছু তরুণ আছে বোলিংয়ে। সব মিলিয়ে দুই দলই প্রায় সমান। দেখার মতো একটা সিরিজ হবে।’ লড়াইটা কোথায়, সেটিও মনে করিয়েছেন তিনি, ‘কঠিন সিরিজ হবে। মূলত দুই দলের ব্যাটিংয়ের লড়াই হবে—বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার। বোলিং গ্রুপ দুই দলেরই অভিজ্ঞ। তবে দুই দলের ব্যাটিংই এগিয়ে।’

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অধীন দুই টেস্টের সিরিজের প্রথমটি শুরু হবে ১৫ মে চট্টগ্রামে। এর আগে বিকেএসপিতে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কা। মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু ২৩ মে।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন