অ ন্য ক লা ম

আরেক মির্জাসানিয়া মির্জার সঙ্গে তার তুলনা কী করে হয়? সানিয়া এখনই ভারতের অনেক বড় ক্রীড়া তারকা। বাস্কেটবল খেলোয়াড় আনামকে কজনই আর চেনে! তার পরও একটা দিক দিয়ে বড় বোনের চেয়ে এগিয়ে ১৫ বছর বয়সী আনাম—উচ্চতা। আর এ নিয়ে গর্বের শেষ নেই তার! ‘আমি যখন ওকে বলি, আমি তোমার চেয়ে লম্বা, ও না শোনার ভান করে’—বোনের সঙ্গে খুনসুটি যে রোজই হয়, সেটিই জানিয়ে রাখল আনাম। অন্ধ্র প্রদেশের হয়ে বাস্কেটবল খেলতে আনাম মির্জা এখন ব্যাঙ্গালুরুতে। দলকে সেমিফাইনালে তুললেও ফাইনাল পর্যন্ত যাওয়া হয়নি। বোনের মতো টেনিস না খেললেও বাস্কেটবল-তারকা হয়ে ওঠার সম্ভাবনা অনেকেই দেখে আনামের মধ্যে। খেলাটি শুরু করার মাত্র দুই বছরের মাথায় যে ডাক পেয়েছে রাজ্য দলে। ওয়েবসাইট।সতীর্থদের চাওয়াকলিন ম্যাকলফলিনের কাছে ওয়েইন রুনি একটা সন্তান চেয়েছিলেন। ম্যাকলফলিন রুনিকে সেই উপহার দিয়েছেন। রুনি পরিবার আলো করে এসেছে পুত্র কাই রুনি। এবার রুনির কাছে একটা চাওয়া আছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সতীর্থদের—আগামী পরশু স্টামফোর্ড ব্রিজে চেলসির বিপক্ষে একটি গোল। শুধু সতীর্থদের জন্যই নয়, প্যাট্রিস এভরার কথা—রুনির গোলটা পুত্র কাইয়ের জন্যও হবে দারুণ এক উপহার, ‘আমি আশা করছি, একটি গোল দিয়ে উপলক্ষটাকে দারুণভাবে উদ্যাপন করবে সে। আমাকে সে ছবি পাঠিয়েছে, বাচ্চাটা সুন্দর। সে খুব আনন্দিত।’ এভরার প্রত্যাশা পুরো ম্যানইউ শিবিরেরই প্রত্যাশা। কোচ অ্যালেক্স ফার্গুসনও আছেন সে দলে, ‘ওর শক্তি এবং আত্মবিশ্বাস দুটোই খুব বেশি। এর একটা প্রভাব থাকবেই।’ ওয়েবসাইট।সংখ্যালঘুসেদিন নাকি আর বেশি দূরে নেই, যেদিন ইংলিশ ক্রিকেট দলের ড্রেসিংরুমে ইংরেজির চেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকান ভাষাভাষীর সংখ্যা যাবে বেড়ে! এমন আশঙ্কা একেবারে ভিত্তিহীনও তো নয়। খোদ অধিনায়ক অ্যান্ড্রু স্ট্রাউসসহ ইংল্যান্ডের চার ক্রিকেটারের (কেভিন পিটারসেন, জোনাথন ট্রট আর ম্যাট প্রিয়র) জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকাতেই। শুধু তা-ই নয়, উঠতি ক্রিকেটারদের অনেকেই দক্ষিণ আফ্রিকান। আর তাই ফিল মাস্টার্ডকে বাদ দিয়ে ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স স্কোয়াডে যখন দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া উইকেটকিপার ক্রেইগ কাইজওয়াটারকে নেওয়া হলো, মাস্টার্ডের এজেন্ট তখন মন্তব্য করলেন, ‘শিগগিরই ইংল্যান্ডের ড্রেসিংরুমে ইংলিশের চেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকান ভাষাভাষীর সংখ্যা বেশি হওয়ার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।’ ওয়েবসাইট।নামে তুলকালামস্পোর্টসডিরেক্টডটক@সেন্টজেমসপার্ক... না, কোনো ওয়েবসাইটের নাম বা ই-মেইল ঠিকানা পড়েননি এতক্ষণ। যা পড়েছেন, সেটি নিউক্যাসলের ঐতিহ্যবাহী স্টেডিয়ামের প্রস্তাবিত নাম! ক্লাবের মালিক মাইক অ্যাশলি চান, এই নাম হোক স্টেডিয়ামটির। স্পোর্টসডিরেক্ট তাঁর ক্রীড়া-পোশাক নির্মাণ প্রতিষ্ঠান। মুফতে সেটির প্রচার হয়ে যাবে এই নাম দিলে। কিন্তু বাদ সেধেছে নিউক্যাসলের সমর্থকেরা। এরই মধ্যে ১৬ হাজারের মতো সমর্থক অনলাইনে এই উদ্যোগের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। দ্য ম্যাগ ফ্যানজিন-এর সম্পাদক মার্ক জেনসেন যেমন বলেছেন, ‘সেন্ট জেমস পার্কের নাম ই-মেইল ঠিকানার মতো শোনার জন্য একটা নাম পাল্টে ফেলাটা জঘন্য একটা ধারণা।’ এএফপি।