এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা বলেছে, এর মাধ্যমে যে অর্থ আসবে, তাতে ক্রিকেটের সম্প্রসারণ হবে। বিশ্বজুড়ে থাকা টি-টোয়েন্টি ইভেন্টের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটি সাজানো হয়েছে। এর উদ্দেশ্য—‘স্পোর্টেইনমেন্ট’ বা ‘ক্রীড়া-বিনোদন’।

দক্ষিণ আফ্রিকার এ লিগে খেলবেন বিদেশি ক্রিকেটাররাও। প্রতি একাদশে সর্বোচ্চ চারজন বিদেশি ক্রিকেটার খেলতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে। ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা বলছে, ‘এটা বছরের একটা দুর্দান্ত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে বড় বড় নাম থাকবে। প্রতিটি দলে খেলোয়াড়দের আকর্ষণীয় বেতন দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, যেটি আইপিএল ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য লিগগুলোকে টেক্কা দেবে।’

default-image

অবশ্য ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগ আয়োজনের ক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর নয়। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এমন লিগ আয়োজনের উদ্যোগ নিচ্ছে তারা। ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগ চালু করার ঘোষণা দেওয়া হলেও টেলিভিশন ও সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি করতে না পারায় সেটি বাতিল করা হয়। এরপর আনা হয় মেজানসি সুপার লিগ। দেশটির সম্প্রচার সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করে সব ম্যাচ ‘ফ্রি টু এয়ার’ও করে দেওয়া হয়। ২০১৯ সাল পর্যন্ত দুটি মৌসুম হলেও এরপর বদলে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে বদলে যায় এর কাঠামো।

default-image

ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান নির্বাহী ফোলেতসি মোসেকি অবশ্য বলছেন, এটি একেবারেই নতুন একটা ইভেন্ট। এবারের উদ্যোগ নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত তিনি, ‘নতুন কিছু তৈরি করতে পেরে আমরা রোমাঞ্চিত। যেটি ব্যক্তিগত উদ্যোগে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোতে বিনিয়োগের সুযোগ করে দেবে। এরই মধ্যে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বেশ কিছু বিনিয়োগকারী আগ্রহ দেখিয়েছে।’

তাঁর আশা, এর বেতন–ভাতা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের আকর্ষণ করবে। এমনিতে আইপিএলের তোপ সরাসরি পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার আন্তর্জাতিক সূচিতে। সর্বশেষ বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন শীর্ষ সারির ক্রিকেটার।

সুপারস্পোর্টের প্রধান নির্বাহী মার্ক জুরি বলছেন, নতুন এ লিগ বদলে দেবে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটের চেহারা।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন