default-image

আয়ারল্যান্ডের জন্য লক্ষ্যমাত্রাটা একটু চ্যালেঞ্জিংই। অথচ লক্ষ্যটা কিন্তু এত কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। শাইমান আনোয়ার নামের এক ব্যাটসম্যান আইরিশ অধিনায়ক উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের হিসেব-নিকেশকে করে দিয়েছে এলোমেলো। বিশ্বকাপে ১৯ বছর পর খেলতে এসেছে আরব আমিরাত। আর আমিরাতের পক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম শতকটি করেই গ্যাবার মঞ্চটি কঠিন করে দিয়েছেন শাইমান। তাঁর ৮৩ বলে ১০৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের ওপর ভর করে আরব আমিরাত স্কোরবোর্ডে তুলেছে ২৭৯ রানের দুর্দান্ত এক সংগ্রহ। এই ম্যাচটা ​জেতার জন্য আইরিশদের আজ এক কঠিন পরীক্ষারই সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

টসে জিতে আইরিশদের ফিল্ডিং নেওয়াটা একটু অবাকই করেছে সকলকে। গ্যাবার ব্যাটিং-সহায়ক উইকেটে প্রমাণিত ব্যাটিং শক্তি নিয়ে আয়ারল্যান্ড কেন রান তাড়াকে বেছে নিল, সেটা ঠিক স্পষ্ট ছিল না কারো কাছেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো ক্রিকেট পরাশক্তির বিপক্ষে তিনশ’র বেশি রান তাড়া করে জয় তুলে নেওয়াটা আয়ারল্যান্ডের আত্মবিশ্বাসকে অন্যমাত্রা দিলেও দিতে পারে।
আরব আমিরাতের ইনিংসের শুরুটা ছিল সতর্কতার। ৪৯ রানের উদ্বোধনী জুটি বেশ ধীরে-সুস্থে, দেখে শুনে সূচনা করে নিজেদের ইনিংসের। ৪৯ রানে উদ্বোধনী জুটির সমাপ্তির পরপরই কিছুটা খেই হারায় আরব আমিরাত। ৪৯ থেকে রানটা ৭৮-এ যেতেই চার-চারটি উইকেট হারিয়ে আরব আমিরাতের ইনিংসকে দেখাচ্ছিল পথভ্রষ্টই। কিন্তু মিডল অর্ডারে অধিনায়ক খুররাম খান দায়িত্ব নিয়ে খেলেন ওই শাইমান আনোয়ারের সঙ্গে জুটি বেঁধে। পঞ্চম উইকেট জুটিতে খুররাম ও শাইমান যোগ করেন ৪৭ রান। খুররাম আউট হন ৩৬ রানে। দলটির সংগ্রহ যখন ৬ উইকেটে ১৩৬, ঠিক তখনই একটি দারুণ জুটিতেই পাল্টে যায় পুরো পরিস্থিতি।

শাইমান আনোয়ারের সঙ্গে জুটি বাঁধেন আমজাদ জাভেদ। সপ্তম উইকেট জুটিতে এই দুজন ১০৭ রান তুলে হকচকিয়ে দেন আয়ারল্যান্ড বোলারদের। শাইমানের ৮৩ বলে ১০৬ রানের ইনিংসটিতে ছিল ১০টি চার ও একটি ছয়ের মার। অলরাউন্ডার জাভেদের ব্যাট থেকে আসে ৪২ রান। ৩৫ বলে পাঁচটি চারের মারে আমজাদের ইনিংসটিও কিন্তু ছিল দারুণ দৃষ্টিসুখকর।
আয়ারল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট অ্যালেক্স কুসেক, ম্যাক্স সরেনসন, পল স্টার্লিং ও কেভিন ও’ব্রেইনের। একটি উইকেট জর্জ ডকরেলের। সূত্র: স্টারস্পোর্টস

বিজ্ঞাপন
খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন