বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৪৬৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করার পর সাফল্য পেতে অস্ট্রেলিয়াকে খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। দ্বিতীয় ওভারে ঝাই রিচার্ডসনের লাফিয়ে ওঠা বলে ভড়কে গিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েছেন হাসিব হামিদ। ররি বার্নস ও ডেভিড ম্যালান অবশ্য একটু লড়াইয়ের চেষ্টা করেছেন। দুজনের জুটি টিকেছে ১৯ ওভারের একটু বেশি। ম্যালান স্লিপে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ তুলেও বেঁচে গিয়েছিলেন, আর বার্নস বেঁচেছিলেন রিভিউ নিয়ে এলবিডব্লিউর হাত থেকে। তবে দ্বিতীয় সুযোগ সেভাবে কাজে লাগাতে পারেননি কেউই।

মাইকেল নেসারের বলে এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে ম্যালান করেছেন ৫২ বলে ২০। আর ভালো বোলিংয়ে পুরস্কার হিসেবেই বার্নসের উইকেটটা পেয়েছেন ঝাই রিচার্ডসন, ইংল্যান্ড ওপেনার স্লিপে স্মিথের হাতে ধরা পড়ার আগে ৯৫ বলে করেছেন ৩৪ রান। ইংল্যান্ড এর চেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে দিনের শেষ ওভারে। একটু আগেই মিচেল স্টার্কের বলে তলপেটে আঘাত পেয়ে নড়বড়ে হয়ে পড়েছিলেন রুট। সে কারণেই কিনা স্লিপে ক্যাচ দিয়ে দিলেন। তাঁর আউটের সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে গেছে দিনের খেলা।

এর আগে ইংল্যান্ডের জন্য সকালটা শুরু হয়েছিল দুঃসংবাদ পেয়েই, সেটিও রুটকে ঘিরেই। ওয়ার্ম-আপে তলপেটে আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ছুটতে হয়েছিল রুটকে। তাঁর বদলে দায়িত্ব পালন করেছেন বেন স্টোকস। রুটের অনুপস্থিতিতে ওলি রবিনসন মিডিয়াম পেসের বদলে করেছেন অফ স্পিনও!

ইংল্যান্ড অবশ্য সফল হয়েছিল দ্রুতই। ১ উইকেটে ৪৫ রান নিয়ে দিন শুরু করা অস্ট্রেলিয়া নাইটওয়াচম্যান মাইকেল নেসার ও ওপেনার মার্কাস হ্যারিসকে হারিয়েছিল দিনের ৩ ওভারের মাঝেই। নেসারকে বোল্ড করেছেন জেমস অ্যান্ডারসন, স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে জস বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন হ্যারিস।

default-image

এরপর স্টিভ স্মিথকে ফেরান ওলি রবিনসন, ৫৫ রানেই ৪ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। তবে মারনাস লাবুশেন ও ট্রাভিস হেডের প্রতি-আক্রমণ এগিয়ে নেয় তাদের। দুজনের জুটিতেই ১০৫ বলে ওঠে ৮৯ রান। ৯৬ বলে ৫১ রান করে ম্যালানের প্রথম টেস্ট উইকেটে পরিণত হন লাবুশেন। এর আগেই ৫৪ বলে ৫১ রানের দ্রুতগতির ইনিংস খেলেন হেড। অ্যালেক্স ক্যারি রুটের বলে বোল্ড হয়ে দ্রুত ফিরলেও ইনিংস ঘোষণা করেনি অস্ট্রেলিয়া। অষ্টম ও নবম উইকেটে তারা যোগ করে আরও ৫০ রান।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন