বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কিন্তু এর মধ্যেই লিটন দাস নিউজিল্যান্ডের বোলারদের বিপক্ষে পাল্টা-আক্রমণ শুরু করলেন। নুরুল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে গড়লেন ১০২ রানের জুটি। প্রথম দিকে কিছুটা দেখেশুনে খেলার চেষ্টা করলেও পরের দিকে ওয়ানডে স্টাইলেই ব্যাট চালিয়েছেন। আর সেই শটগুলোও ছিল দেখার মতো। কয়েকটি কাভার ড্রাইভ খেলেছেন, অসাধারণ! উইকেটের চারদিকে খেলে ৬৯ বলে পেয়ে যান পঞ্চাশ। কিন্তু বাকি পঞ্চাশ করতে তিনি খেলেছেন মাত্র ৩৭ বল। বোল্ট, সাউদি, জেমিসনদের বিপক্ষে কীভাবে পাল্টা-আক্রমণ করেছেন লিটন—এ পরিসংখ্যানই তাঁর প্রমাণ।

গত ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট শতকটি পেয়েছিলেন লিটন দাস। সেটি ছিল অনেক অপেক্ষার পর। এর আগে যে দুবার নড়বড়ে নব্বইয়ে আউট হয়েছিলেন তিনি। চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম ইনিংসে শতরানের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও করেন ৫৯। এরপর মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের প্রথম ইনিংসে ফেরেন ৮৬ রানে। ক্রাইস্টচার্চেও প্রথম ইনিংসে ছিলেন ব্যর্থ। তবে আজ দ্বিতীয় ইনিংসে লিটন আবারও স্বরূপে।

default-image

ধারাভাষ্যকারেরা বারবারই বলছিলেন তাঁর ইনিংসের সৌন্দর্যের কথা। তাঁরা প্রশংসা করেছেন লিটনের ব্যাট যে পরিস্থিতিতে হাসল, সেটি নিয়েও। অসম্ভব চাপের মুখে এমন ব্যাটিং করা যে সহজ কিছু নয়, সেটিও তাঁরা মনে করিয়ে দিয়েছেন।

লিটন আজ দেখিয়ে দিলেন ব্যাটিংটা তাঁর কাছে খুব সহজ একটি ব্যাপারই।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন