default-image

জিম্বাবুয়ের সাংবাদিকদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ‘তোমাদের সঙ্গে শুধু জিম্বাবুয়েতে এলেই দেখা হয়। জিম্বাবুয়ে দল তো বিদেশে সিরিজ খেলতে যায়। তোমরা সেসব কাভার করতে যাও না কেন? তোমাদের তো কখনো বাংলাদেশেও যেতে দেখি না…!’

আচমকা এ রকম প্রশ্ন শুনে সবার মুখ চুপসে গেল। যেন কোনো মহা অন্যায়ের জবাবদিহি চাওয়া হয়েছে তাঁদের কাছে! একজন আরেকজনের দিকে তাকিয়ে নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নিচ্ছিলেন সবার হয়ে উত্তরটা দেবেন কে।

default-image

শেষে দায়িত্ব নিলেন এএফপির স্থানীয় ফটোসাংবাদিক জেকেসাই এনজিকিজানা। অতিথি সাংবাদিকের কৌতূহল মেটানোর চেয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টাটাই বেশি তাঁর। ‘আমরা এটা এখন চিন্তাও করতে পারি না। এ দেশে বিদেশে সফরের জন্য সাংবাদিকদের কোনো প্রতিষ্ঠান পৃষ্ঠপোষকতা করে না। আসলে আমাদের দেশের অর্থনীতির যে অবস্থা, পৃষ্ঠপোষকতা করার মতো অবস্থায় তারাও নেই’, কথাটা শেষ করে এনজিকিজানা দৃষ্টি ছড়িয়ে দিলেন মাঠের দিকে।

খেলা শেষ হয়ে গেলেও মাঠটা তখনো সিরিজের সাজেই সজ্জিত ছিল। সন্ধ্যার ম্লান আলোতেও দেখা যাচ্ছিল পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের লোগোতে রঙিন হয়ে ওঠা সাইটস্ক্রিন, পেরিমিটার বোর্ডগুলো তখনো সরানো হয়নি, বাউন্ডারি রশিটাও সুদৃশ্য কুশনে ঢাকা।

তবে এনজিকিজানার পুরো মাঠটার ওপর চোখ বুলিয়ে আনার উদ্দেশ্য ভিন্ন। সেদিকে তাকিয়ে জিম্বাবুয়ের সাংবাদিক যেন এই প্রতিবেদককে মৌন বাক্যে বোঝাতে চাইলেন, ‘মাঠটা আমাদের। কিন্তু সেটা তো কিনে নিয়েছ তোমরাই!’

আসলেই তাই। হারারেতে সদ্য সমাপ্ত বাংলাদেশ–জিম্বাবুয়ে সিরিজের মূল পৃষ্ঠপোষক ছিল বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান ইস্পাহানী লিমিটেড। ওই যে পেরিমিটার বোর্ড আর বাউন্ডারি কুশনের কথা বলা হলো; সেগুলোতেও শোভা পাচ্ছিল বাংলাদেশেরই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন। কোথাও বাংলালিংক, কোথাও ইস্পি পাউডার ড্রিংক, কোথাও মিনিস্টার, কোথাওবা আকাশ। মূল পৃষ্ঠপোষক ইস্পাহানীর চা–বিস্কুটের বিজ্ঞাপন তো ছিলই।

কিছু পেরিমিটার বোর্ডে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে বাংলাদেশের ইতিহাসও। মুজিব শতবর্ষের লোগো, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর প্রচার দেখে মনে হচ্ছিল আমরা মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বসে নেই তো! জিম্বাবুয়েতেও বাংলাদেশের ইতিহাস তুলে ধরার এই সুযোগটা পাওয়া গেছে, কারণ সিরিজের টেলিভিশন সম্প্রচার এবং বিজ্ঞাপনী স্বত্ব কেনা ছিল বাংলাদেশেরই প্রতিষ্ঠান টোটাল স্পোর্টসের।

default-image

মাঠে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের স্থানীয় পৃষ্ঠপোষকদের বিজ্ঞাপন যে একেবারেই ছিল না, তা নয়। তবে সেগুলো এতই কম ছিল যে খুব ভালো করে না তাকালে চোখেই পড়েনি। বাংলাদেশি বিজ্ঞাপনের ছড়াছড়িতে হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠটাকে মনে হচ্ছিল বাংলাদেশেরই কোনো মাঠ; বাংলাদেশ দলের হোম গ্রাউন্ড!

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানের বিদেশের মাটিতে ক্রিকেট সিরিজ পৃষ্ঠপোষকতা করা এবারই প্রথম নয়। শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দলের সর্বশেষ সিরিজেই টাইটেল স্পনসর ছিল ওয়ালটন, নিউজিল্যান্ডে সর্বশেষ সিরিজেও তারাই ছিল সহযোগী স্পনসর।

তবে ক্রিকেটের পৃষ্ঠপোষকতা করতে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানের বিদেশযাত্রার শুরু জিম্বাবুয়ে দিয়েই এবং সেটা সেই ২০০৯ সালে। সেবার বুলাওয়েতে বাংলাদেশ–জিম্বাবুয়ে পাঁচ ওয়ানডে সিরিজের মূল পৃষ্ঠপোষক ছিল গ্রামীণফোন।

default-image

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর সুদূর আফ্রিকা মহাদেশে গিয়ে ক্রিকেটের পৃষ্ঠপোষকতা করার কারণটা নিশ্চয়ই বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না কারও। ভিনদেশে নিজেদের বাজার বাড়ানোর লক্ষ্য তো একটা আছেই, তা ছাড়া বাংলাদেশ দলের খেলা মানেই বাংলাদেশের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমী মানুষের টেলিভিশনে চোখ রাখা। জিম্বাবুয়ের ফাঁকা বাজারে ঢুকে এই দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সুযোগটা কেন নেবে না তারা!

গত কয়েক বছরে জিম্বাবুয়ের আর্থিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পৃষ্ঠপোষকতা করার মতো সংগতি এখনো দেশটির বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানেরই নেই। যাদের আছে, তাদেরও ক্রিকেটে আগ্রহ কম। ক্রিকেটটা তো আর বাংলাদেশের মতো সেখানে খাওয়া–পরা–ঘুমানোর সঙ্গী নয়। আফ্রিকার দেশটিতে এখনো বেশি জনপ্রিয় ফুটবলই।

default-image

কিন্তু সেই ফুটবলেও নাকি চলছে পৃষ্ঠপোষকের জন্য হাহাকার! হারারেভিত্তিক ওয়েবসাইট থ্রি–মোব ডট কমের রিপোর্টার ল্যারি কুইরিরাই বলছিলেন, ‘ক্রিকেটের প্রতি এখানকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ কম। তারা আগ্রহী ফুটবলে। তবে এখন সেখানেও পৃষ্ঠপোষকের আকাল। সাংবাদিকদের স্পনসর পাওয়া দূরে থাক, খেলার জন্যই স্পনসর পাওয়া যায় না এই দেশে।’

সেটা খুব অস্বাভাবিকও নয়। ক্রিকেটের কথাই যদি বলেন, জিম্বাবুয়ে দলটার মাঠের যা পারফরম্যান্স, বারবার ব্যর্থতার সঙ্গী হতে কেই–বা নাম জড়াতে চাইবে তাদের সঙ্গে! ঘরের মাঠেও জয় এখন দলটার কাছে সোনার হরিণ। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে এবারের বাংলাদেশ সিরিজ পর্যন্ত টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি–টোয়েন্টি মিলে মোট ১৪টি ম্যাচ খেলে জিম্বাবুয়ে জয়ের দেখা পেয়েছে কেবল দুটি টি–টোয়েন্টিতে।

default-image

আরেকটু পেছন ফিরে যান। ২০১৮ সালে ঘরের মাঠে ১০টি ওয়ানডে এবং চারটি টি–টোয়েন্টি খেলে জিম্বাবুয়ে জিতেছে শুধু দুটি ওয়ানডেতে, তা–ও হংকং এবং আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। পরের বছর এপ্রিলে অবশ্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে হারারেতে ৪–০তে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে তারা। কিন্তু সেটি যে হঠাৎই পাওয়া সাফল্য, তা তো তাদের গত দেড় বছরের ফলাফলই বলে দিচ্ছে।

পুরো জিম্বাবুয়ের অবস্থাই অবশ্য তাদের ক্রিকেটের মতো নয়। অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও খুঁজলে আফ্রিকার দেশটিতে আপনি বিলাসিতা আর আভিজাত্যের দেখা পাবেন।

default-image

হারারে স্পোর্টস ক্লাবের গেটের উল্টো দিকের যে উঁচু সীমানাপ্রাচীরটা এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত চলে গেছে, সেটির ওপারেই জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রপ্রধানের বাড়ি। জিম্বাবুয়েতে ক্রিকেট কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিকদের কাছে এই বাড়ি বিশেষভাবে পরিচিত। কারণ, মেইন রোড থেকে মাঠ পর্যন্ত যেতে আপনাকে বাড়ির নিরাপত্তায় নিয়োজিত অস্ত্রধারী সেনাসদস্যদের রক্তচক্ষু এবং অসংখ্য সিসি ক্যামেরা পার হয়েই যেতে হবে।

সে যাত্রাও হতে হবে খুবই সতর্ক পায়ে। রাষ্ট্রপ্রধানের বাড়ি আর হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠের মাঝ দিয়ে চলে যাওয়া নিরিবিলি এই রাস্তায় মুঠোফোন ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ। ফোনে কথা বলা যাবে না, ছবি–ভিডিওর তো প্রশ্নই আসে না। চাইলে যে দুদণ্ড দাঁড়িয়ে আশপাশটা একটু দেখে নেবেন, সে উপায়ও নেই। এই রাস্তায় একবার পা রেখেছেন তো কোথাও না তাকিয়ে আপনাকে গট গট করে সোজা গন্তব্যের দিকে হেঁটে যেতে হবে। দাঁড়ালেই বেজে উঠবে কড়া হুইসেল।

জিম্বাবুয়েতে রবার্ট মুগাবের শাসন যখন ছিল, তখনো বাড়িটার আশপাশের অবস্থা এ রকমই ছিল। হারারের মানুষের ব্যাপক কৌতূহল ছিল বাড়িটিকে ঘিরে। মুগাবে এখন আর নেই। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০১৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ইহধামের মায়াও ত্যাগ করেছেন।

প্রেসিডেন্টের ক্ষমতায় এখন এমারসন এমনাঙ্গাওয়া। তাতেও পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হয়নি। এখনো বাড়িটার ভেতর প্রকাণ্ড শব্দে হেলিকপ্টার নামলে মানুষ কৌতূহল ভরে তাকিয়ে থাকে। হারারে স্পোর্টস ক্লাবের দিকে ফিরে বাংলাদেশ–জিম্বাবুয়ে সিরিজের বিলবোর্ডের ছবি তুলতে গেলে শুনতে হয় সেনাসদস্যদের তীক্ষ বাঁশি।

default-image

প্রেসিডেন্টের বাড়ি বলে এটুকু না হয় মেনে নেওয়া গেল। কিন্তু মাঠ থেকে আট–দশ মিনিটের হাঁটা দূরত্বে বেইনেস অ্যাভিনিউর ব্রন্টে গার্ডেন হোটেলে গেলেও আপনার মনে হতেই পারে জিম্বাবুয়ে দেশটিতে দারিদ্র্য বলে আসলে কিছু নেই। জাকারান্ডা ফুলের শোভা চারদিকে। সবুজ গাছের ছায়ায় এ যেন বিশাল এক বাগানবাড়িই।

ভেতরে বাগানের মধ্য দিয়েই এঁকেবেঁকে গেছে হাঁটার পথ। হাঁটতে হাঁটতেই দুবার পার হতে হবে দুটি সুইমিংপুল। সকালের নরম রোদে বসে গা গরম করতে হলে চেয়ার পাতাই আছে এখানে–ওখানে। হোটেলের নকশাটা এমনভাবে করা যে গা ঘেঁষাঘেঁষির কোনো ব্যাপার নেই। দুটি রেস্টুরেন্ট, জিমনেসিয়াম, অতিথিদের থাকার জন্য বিভিন্ন শ্রেণির কক্ষ—সবই দূরে দূরে ছড়ানো। করোনাকালে সামাজিক দূরত্ব মেনে হোটেলবাসের প্রকৃষ্ট জায়গা বলতে পারেন ব্রন্টে গার্ডেনকে।

default-image

করোনার মধ্যেও মোটামুটি ব্যয়বহুল এই হোটেল ব্যবসা খারাপ করছে বলে মনে হলো না। মাঠের কাছে বলে ঢাকা থেকে বাংলাদেশ–জিম্বাবুয়ে সিরিজ কাভার করতে আসা সাংবাদিক এবং ধারাভাষ্যকার ও টেলিভিশন ক্রুরা উঠেছিলেন এখানেই। সকালের নাশতার সময়, সুইমিংপুল–জিমনেসিয়ামে অন্য অতিথিদের আনাগোনাও নিয়মিতই দেখা গেছে। তাঁদের বেশির ভাগ অন্য শহর থেকে আসা জিম্বাবুয়েরই মানুষ।

আগের একটা লেখায় লিখেছি, জিম্বাবুয়েতে ধনী–দরিদ্রের ব্যবধানটা চোখে পড়ার মতো প্রকট। ব্রন্টে গার্ডেন হোটেলের ধনী অতিথিদের মতো হারারের রেস্টুরেন্ট আর শপিংমলগুলোর ক্রেতারাও যেন সেই বাস্তবতারই সাক্ষী। করোনার বিধিনিষেধের কারণে শপিং মল আর রেস্টুরেন্টগুলো খোলা থাকছে বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত। বন্ধ হওয়ার আগপর্যন্ত সেখানে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকছে।

default-image

শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতিও কমাতে পারছে না দেশটির ধনি–দরিদ্রের ব্যবধান। প্রতিদিন সকালে হোটেলে হাউস কিপিংয়ের যে লোকটি রুম পরিষ্কার করতে এসে আপনার দরজায় টোকা দেবে, দু–চার মিনিট কথা বললে জানতে পারবেন, তিনিও একজন গ্র্যাজুয়েট।

রবার্ট মুগাবের জানু পার্টি ক্ষমতায় থাকার সময় থেকেই জিম্বাবুয়ে সরকার শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। প্রাথমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা তখন থেকেই বাধ্যতামূলক। শিক্ষার এই স্তর পর্যন্ত কোনো টিউশন ফিও নেই। যার সুফল দেশটিতে এখন সাক্ষরতার হার প্রায় ৯০ শতাংশ। ১৯৮২ সাল থেকে এই হার প্রতিবছর প্রায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ করে বাড়ছে।

এখন তো নাকি উচ্চশিক্ষার জন্যও অনেক সুযোগ–সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তাতে কি, শিক্ষিত মানুষের হার বাড়লেও তাদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা যে নেই জিম্বাবুয়েতে! গ্র্যাজুয়েট হয়েও তাই তরুণদের নিতে হচ্ছে হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর চাকরি।

default-image

সফরে ওয়ানডে সিরিজের আগে বাংলাদেশ দল প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে তাকাসিঙ্গা স্পোর্টস ক্লাব মাঠে। হারারে শহর থেকে গাড়িতে ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মতো লাগে যেতে। শহর থেকে যত বের হতে থাকবেন, ততই আপনার মন খারাপ হতে থাকবে। ভাঙাচোরা রাস্তা, রাস্তার দুধারে ‘লোকেশনে’র জীর্ণশীর্ণ ঘরবাড়ি, ফুটপাতের মানুষগুলোকে দেখেও মনে হচ্ছিল জীবনের মৌলিক সুযোগ–সুবিধার অনেক কিছুই তাদের স্পর্শ করেনি।

তাকাসিঙ্গা স্পোর্টস ক্লাবে যাওয়ার পথে ছোটখাটো একটা শিল্প এলাকা পার হতে হয়। পেপসি, নেস্‌লে, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কারখানা চোখে পড়েছে সেখানে। কিন্তু দূর থেকে দেখে যা মনে হলো, অন্তত হারারেতে বেশির ভাগের অবস্থাই বিশেষ সুবিধার নয়। কিছু কারখানা তো মনে হলো বন্ধই পড়ে আছে।

সাদা চোখে দেখা এসব দৃশ্য নিশ্চয়ই জিম্বাবুয়ের শিল্প–বাণিজ্য ও অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্র নয়। বরং কিছু মানুষের পকেটে যে এখন টাকা আছে, সেটি হারারের রাস্তায় নতুন নতুন মডেলের চকচকে সব গাড়ি দেখলেই বোঝা যায়। সঙ্গে ব্রন্টে গার্ডেনের স্থানীয় অতিথিদের তালিকা এবং শপিংমল–রেস্টুরেন্টগুলোর ছবি যোগ করে নিলে ধনী এক জিম্বাবুয়ের ছবিই হয়তো ফুটে উঠবে আপনার চোখের সামনে।

তবে সেই ছবিটাই জিম্বাবুয়ের আসল ছবি নয়। আসল ছবি লুকিয়ে আছে এনজিকিজানা–কুইরিরাইদের কথায়। আছে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট আর তাকাসিঙ্গা যাওয়ার পথে দেখা ‘লোকেশনে’।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন