বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভারত অবশ্য দুঃসংবাদ পেয়েছিল মাঠে নামার আগেই। পিঠের চোটের কারণে ছিটকে গেছেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি, যেটি হতে পারত তাঁর ৯৯তম টেস্ট। নিয়মিত অধিনায়কের জায়গায় টস করতে নেমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন লোকেশ রাহুল।

মায়াঙ্ক আগারওয়ালকে সঙ্গে নিয়ে ভারতকে শক্ত একটা ভিত এনে দেওয়ার পথেই এগোচ্ছিলেন রাহুল। প্রথম ঘণ্টা নিরাপদেই পার করেন তাঁরা। তবে পানি পানের বিরতির পর প্রথম বলেই মার্কো ইয়ানসেনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন আগারওয়াল, ৩৭ বলে ৫ চারে ২৬ রান করার পর।

default-image

৩৬ রানে আগারওয়াল ফিরলেন, ভারতও হয়ে পড়ল রক্ষণাত্মক। চেতেশ্বর পূজারা শুরু থেকেই ছিলেন খোলসের ভেতরে। তবে তাতেও লাভ হয়নি, সেঞ্চুরিয়নের মতো এবারও রানের দেখা পেলেন না। চোট কাটিয়ে দলে ফেরা ডুয়ান অলিভিয়েরের প্রথম শিকার পূজারা, বাড়তি বাউন্সে ভড়কে গিয়ে ৩৩ বলে ৩ রান করে টেম্বা বাভুমার হাতে ধরা পড়েন তিনি। ঠিক পরের বলেই সিরিজের আগেই সহ-অধিনায়কত্ব হারানো রাহানেকে ফেরান অলিভিয়ের। রাহানে ক্যাচ দিয়েছেন গালিতে। অলিভিয়েরের সেটি ৫০তম উইকেট।

দ্রুত ২ উইকেট হারালেও অন্য প্রান্তে রাহুল ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন সেঞ্চুরিয়নের ফর্মটাই টেনে আনার। হনুমা বিহারির সঙ্গে মধ্যাহ্ন বিরতির আগে-পরে তোলেন ১৫.১ ওভারে ৪২ রান—শেষ পর্যন্ত রান ও বলের হিসাবে ভারত ইনিংসে সর্বোচ্চ জুটি সেটিই।

default-image

শেষ পর্যন্ত কাগিসো রাবাদার বলে শর্ট লেগে রাসি ফন ডার ডুসেনের দারুণ ক্যাচে ফিরতে হয় বিহারিকে। রাহুল আরও কিছুক্ষণ টিকে ছিলেন, তবে অর্ধশতক পূর্ণ করার পরপরই ইয়ানসেনের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন ভারত অধিনায়ক। দুই সেশনে ৫ উইকেট হারানো ভারতকে আশা জুগিয়েছিল ঋষভ পন্ত ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের জুটি। পন্তকে ফিরিয়ে সে জুটি ভাঙেন ইয়ানসেন, এরপর শার্দূল ঠাকুর হন অলিভিয়েরের শিকার।  

পন্তের পর শামিকে নিয়ে প্রতি-আক্রমণের চেষ্টা করেছেন অশ্বিন। শেষ পর্যন্ত ইয়ানসেনের বলে ক্যাচ দেওয়া আগে অশ্বিন ৪৬ রান করেছেন মাত্র ৫০ বলে। অশ্বিনের আগে-পরে শামি ও সিরাজকে ফেরান কাগিসো রাবাদা। শেষ দিকে যশপ্রীত বুমরার ক্যামিওতে ২০০ পেরোয় ভারত।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন