টেস্টের জন্য আবেদন আইরিশদের

আইসিসির পূর্ণ সদস্যদেশ ১০টি হলেও টেস্ট খেলুড়ে দেশের সংখ্যা নয়টি হয়ে আছে জিম্বাবুয়ের স্বেচ্ছানির্বাসনে। তাতে অবশ্য বাকি দেশগুলোর খুব একটা মাথাব্যথা নেই। তবে টেস্ট ক্রিকেটের ১৩২ বছরের দীর্ঘ ইতিহাসে খেলাটি যে মাত্র গুটিকয় দেশ খেলে, এমন কৌলিন্য প্রথায় নিশ্চয়ই আক্ষেপ হয় ক্রিকেটভক্তদের।সংখ্যাটাকে ১০ থেকে ১১-তে নিয়ে যেতে চায় আয়ারল্যান্ড। ২০০৭ বিশ্বকাপে দুই টেস্ট খেলুড়ে দেশকে (বাংলাদেশ ও পাকিস্তান) হারিয়ে সুপার এইটে উঠে যাওয়া দেশটি ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেট খেলে আসছে অনেক দিন ধরেই। আইসিসির সহযোগী সদস্য আয়ারল্যান্ড এবার চায় পূর্ণ সদস্যের মর্যাদা। এ ব্যাপারে তারা আইসিসির কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে। পূর্ণ সদস্য হতে গেলে প্রয়োজনীয় শর্তাবলিগুলো কী কী, সেটি আইসিসিও জানিয়ে দিয়েছে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডকে।তবে সহসাই আয়ারল্যান্ডের টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। হয়তো শক্তির বিচারে বাংলাদেশের চেয়ে খুব বেশি ব্যবধান তাদের নেই। চার দিনের ক্রিকেট খেলে আসছে তারা যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গেই। কিন্তু আয়ারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় নেতিবাচক দিক হলো, বাংলাদেশের মতো তাদের বিশাল দর্শক নেই। ক্রিকেটের বাজারেও তাদের দর খুব কম। অ্যাশেজ জেতার পর পরই আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল ইংল্যান্ড। অ্যাশেজ উন্মাদনার পরও সেই সিরিজের স্বত্ব কোনো টেলিভিশন কেনেনি। আয়ারল্যান্ডের আবেদনের বিষয়টি এখন আইসিসির পরবর্তী সভায় আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন আইসিসির মুখপাত্র জেমস ফিটজেরাল্ড। ওয়েবসাইট।