বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আইসিসির সভাপতি গ্রেগ বার্কলে বলেছেন, ‘ছেলে ও মেয়েদের ক্রিকেটে উন্নতিতে আফগানিস্তান ক্রিকেটকে সহায়তা করতে আইসিসির বোর্ড প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমাদের বিশ্বাস, নতুন সরকারের সঙ্গে আমাদের সদস্যদের সম্পর্ক স্থাপনের যে প্রচেষ্টা, সেটিকে সহায়তা করাটাই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর।’

default-image

আফগানিস্তানে ক্রিকেটের অবস্থানটা আগের মতোই থাক, বার্কলের চাওয়া এমন, ‘আফগানিস্তানের ছেলেদের জাতীয় দল গর্ব ও ঐক্যের উৎস। সে দেশের তরুণেরা সাম্প্রতিক সময়ে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অন্যতম বড় একটা পরিবর্তনের মুখোমুখি হয়েছে। এমন দেশে ইতিবাচক পরিবর্তনে প্রভাব রাখার মতো একটা সৌভাগ্যজনক অবস্থানে আছে ক্রিকেট। আমাদের সে অবস্থানটা রক্ষা করতে হবে। এসিবির মাধ্যমে পরিবর্তনের চেষ্টা করে যেতে হবে। তবে আমরা নিবিড়ভাবে এ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করব, সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেব।’

আফগানিস্তানের ক্ষমতা তালেবানের হাতে যাওয়ার পর থেকেই দেশটির ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। ক্ষমতার পালাবদলে পরিবর্তন এসেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেও। সম্প্রতি নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে জাতীয় দলের সাবেক অলরাউন্ডার মিরওয়াইস আশরাফকে।

ছেলেদের ক্রিকেটের ব্যাপারে তালেবান কোনো বাধা দেবে না জানানো হলেও মেয়েদের ক্রিকেট নিষিদ্ধ করার ব্যাপারটি সামনে এসেছে। এখন পর্যন্ত মেয়েদের কোনো জাতীয় দল নেই দেশটিতে। মেয়েদের ক্রিকেট প্রসারণে বাধা আসবে, এমন কারণে আফগানিস্তানের বিপক্ষে পূর্বনির্ধারিত টেস্ট বাতিল করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। অবশ্য আফগান ক্রিকেটারদের অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ বিগ ব্যাশে স্বাগত জানানো হবে বলেই জানিয়েছিল সিএ।

default-image

তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আইসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী জিওফ অ্যালারডাইস বলেছিলেন, ‘ক্ষমতার পালাবদলের পর ব্যাপারটা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, আমরা সব সময়ই সেটা দেখতে চেয়েছি। পরবর্তী বোর্ডসভায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সে সভা বিশ্বকাপের পরই হবে বলে মনে হচ্ছে। তারা আইসিসির পূর্ণ সদস্য এবং তাদের দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। তাই এ টুর্নামেন্টে তাদের অংশগ্রহণ স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই এগোচ্ছে।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এবার সরাসরি সুপার টুয়েলভে খেলেছে আফগানিস্তান। তবে সে পর্বেই আটকে গেছে তারা।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন