কোয়ারেন্টিনের জটিলতায় অনুশীলন একটু ধাক্কা খেলেও বাংলাদেশ অবশেষে নামতে পেরেছে অনুশীলনে। শুরুতে হালকা মেজাজে শুরু হয়েছিল অনুশীলন। এখনো বোলাররা পুরোদমে অনুশীলন শুরু না করলেও ব্যাটসম্যানরা জোর প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন বলেই জানিয়েছেন প্রিন্স, ‘এখন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডে আমাদের দিন দুয়েকের অনুশীলন হয়েছে। বাইরে আসতে পারাটা দারুণ। বোলাররা ধীরেসুস্থে এগোচ্ছে। ব্যাটসম্যানরা ভালোই চালিয়ে নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত কয়েকটি ভালো সেশন হয়েছে আমাদের। নিউজিল্যান্ডের কয়েকজন নেট বোলারকে আমরা পেয়েছি। আমরা অনেকেই স্টিক (বল ছোড়ার দণ্ড) নিয়ে ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে কাজ করছি।’

নিউজিল্যান্ডে খেলা মানেই পেসারদের মুভমেন্ট ও বাউন্স সামলানোর চ্যালেঞ্জ থাকে। বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্টের জন্য ১৩ জনের নিউজিল্যান্ড দলে নেই কোনো বিশেষজ্ঞ স্পিনার। বাদ পড়েছেন মুম্বাইয়ে ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়া বাঁহাতি স্পিনার এজাজ প্যাটেলও। তবে কিউইদের সম্ভাব্য পেস চ্যালেঞ্জের পরও আপাতত ব্যাটসম্যানদের দেখে বেশ আশাবাদীই প্রিন্স, ‘আমাকে বলতেই হবে, আমাদের ব্যাটসম্যানদের খুব ভালো মনে হচ্ছে। আমার মনে হয়, আমাদের ব্যাটসম্যানরা নিউজিল্যান্ডে ব্যাটিং উপভোগ করবে। এই ইউনিভার্সিটি মাঠে অনুশীলন পিচগুলো খুব ভালো। বাউন্স খুবই সমান। আমাদের ছেলেরা এই স্বস্তি পাচ্ছে যে নিউজিল্যান্ডের বাউন্সে ভরসা রাখা যায়। হ্যাঁ, কিছুটা সিম মুভমেন্ট থাকবে। তবে সেটা প্রত্যাশিতই।’

default-image

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১ জানুয়ারি। এর আগে নিউজিল্যান্ড একাদশের বিপক্ষে ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ খেলবে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ। এর আগে নিজেদের মধ্যে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা থাকলেও এখনো নিশ্চিত হয়নি সেটি।

তবে প্রথম টেস্টের আগের সময়টা কাজে লাগাতে চান প্রিন্স, ‘এখন পর্যন্ত সবকিছু ভালো। ছেলেদের অনুশীলনে ভালো মনে হচ্ছে। কেবলই শুরু হলো, প্রথম টেস্টের আগে আরও সাত-আট দিন আছে। আস্তে আস্তে আমরা উন্নতি করতে চাইব এবং প্রথম টেস্ট যখন শুরু হবে, সময়মতো আমরা আশা করি প্রস্তুতির চূড়ায় থাকব।’

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে প্রথম টেস্ট খেলার পর বাংলাদেশ ফিরবে ক্রাইস্টচার্চে। ৯ জানুয়ারি সেখানে শুরু দ্বিতীয় টেস্ট। দুটি ম্যাচই আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন